সৌদির রাজধানী রিয়াদের আকাশে নতুন করে তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে দেশটির সামরিক জোট। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি এ তথ্য জানিয়েছেন।
তবে ড্রোনগুলো রিয়াদের কোন অবকাঠামো টার্গেট করে ছোড়া হয়েছে এবং কোন জায়গা থেকে ছোড়া হয়েছে সেটি স্পষ্ট করেননি তিনি।
তবে গত এক সপ্তাহে ইয়েমেনের হুথি নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল থেকে রিয়াদে একাধিকবার ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন হামলা হয়েছে। এরমধ্যে গত রোববার সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী হামলাটি হয়। এদিন রিয়াদ বিমানবন্দরের টার্মিনালে ব্যালিস্টিক মিসাইলের আঘাতে ১২ জন নিহত ও তিন শতাধিক মানুষ আহত হন। নিহতদের মধ্যে দুই বাংলাদেশি ছিলেন। আর গুরুতর আহত হয়ে আইসিইউতে আছেন আরও চার বাংলাদেশি।
‘ভয়ে’ হুথিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সহায়তা নিলো না সৌদি
সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তবে তার এ প্রস্তাবে রাজি হননি সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। তার শঙ্কা, ইসরায়েলিদের সহায়তা নিলে নিজ দেশের মানুষ ক্ষুব্ধ হতে পারেন।
মঙ্গলবার ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ এক কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।
সূত্রটি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত নেতানিয়াহু সৌদিকে সহায়তা করতে হুথিদের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তাব দেন। যার লক্ষ্য ছিল সৌদির সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করা এবং ভবিষ্যতে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক গড়া।
কিন্তু সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হতে পারেন এমন ভয় থেকে প্রিন্স সালমান এতে রাজি হননি।
২০২০ সালে আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে সুদান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং মরক্কোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে দখলদার ইসরায়েল। কিন্তু তাদের মূল লক্ষ্যে আছে সৌদি। ইসলামিক বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও শ্রদ্ধেয় দেশটির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক গড়তে চায় তারা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহু আব্রাহাম চুক্তি আরও সম্প্রসারণের চেষ্টা চালাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরেই।
সূত্র: আনাদোলু, মিডেল ইস্ট আই
পূর্বকোণ/রাকিব/পারভেজ



















