২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হালজেন। মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে আসা খুব শক্তিশালী নিউট্রিনো কণা শনাক্ত করার জন্য এবং সেগুলো খুঁজে বের করার কাজে আইসকিউব নামে বিশাল যন্ত্র তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তাঁকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস স্টকহোমে এ পুরস্কার ঘোষণা করে।
২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। এবার পুরস্কারটি এককভাবে ফ্রান্সিস হালজেন পেয়েছেন।
ফ্রান্সিস হালজেন যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন-ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। তিনি বেলজিয়ামে জন্মগ্রহণ করেন এবং বর্তমানে কণা পদার্থবিজ্ঞান, জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞান ও মহাকাশবিজ্ঞানের সংযোগস্থলে গবেষণা করছেন। ১৯৭২ সাল থেকে তিনি উইসকনসিন-ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে কাজ করছেন।
প্রত্যেক বিভাগের নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীরা পাবেন একটি নোবেল মেডেল, একটি সনদপত্র এবং মোট ১২ মিলিয়ন বা ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। ২০২৫ সালে নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য ছিল ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। ২০২৬ সালে তা বাড়িয়ে ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি পুরস্কারে ১০ লাখ ক্রোনা বা প্রায় ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। নোবেল ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক হানা স্টিয়ারনে জানিয়েছেন, ২০২৬ সালে নোবেল পুরস্কারের ১২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে এই অর্থ বাড়ানো হয়েছে।এ নিয়ে চলতি বছরের নোবেল পুরস্কার ঘোষণার দ্বিতীয় পর্ব শেষ হলো।
পূর্বকোণ/মিফতা

















