চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ০১ অক্টোবর, ২০২৬

সর্বশেষ:

প্রাণঘাতী দুই ইনজেকশনেও মৃত্যু হয়নি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারীর

প্রাণঘাতী দুই ইনজেকশনেও মৃত্যু হয়নি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১ অক্টোবর, ২০২৬ | ৩:২৯ অপরাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় দুই দফা প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার পরও বেঁচে রয়েছেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী ক্রিস্টা পাইক। তার হৃদস্পন্দন চলতে থাকায় পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।
 
 
৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ন্যাশভিলের রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি কারাগারে কার্যকর করার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরও তিনি জীবিত ছিলেন বলে তার আইনজীবীরা জানান। এরপর আইনজীবীরা জরুরি ভিত্তিতে আদালতের হস্তক্ষেপ চান। পরে পাইককে কারাগারের বাইরে একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়।
 
 
টেনেসি কারা বিভাগ বলেছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে রাজ্যের অনুমোদিত সব নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছিল। তবে কেন প্রক্রিয়াটি ব্যর্থ হলো, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি। ঘটনার পর টেনেসির গভর্নর বিল লি স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে চলতি বছরের বাকি নির্ধারিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
 
 
১৯৯৫ সালে ১৯ বছর বয়সী কলিন স্লেমারকে হত্যার দায়ে ক্রিস্টা পাইককে ১৯৯৬ সালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। অপরাধের সময় পাইকের বয়স ছিল ১৮ বছর। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে তার আইনজীবীরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আদালতে আবেদন করেছিলেন। তাদের যুক্তি ছিল, সাজা দেওয়ার সময় পাইকের শৈশব ও মানসিক স্বাস্থ্যের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যথেষ্টভাবে বিবেচনা করা হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট মৃত্যুদণ্ড স্থগিতের আবেদন নাকচ করেন।
 
 
টেনেসিতে এ বছর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে গিয়ে এটি দ্বিতীয় বড় সমস্যার ঘটনা। গত মে মাসেও আরেক বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করতে হয়েছিল। ক্রিস্টা পাইক বর্তমানে টেনেসির মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত একমাত্র নারী বন্দী। চলতি সপ্তাহের শুরুতে তার ক্ষমার আবেদনও নাকচ করেছিলেন গভর্নর বিল লি।
 
 
পূর্বকোণ/ইবনুর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট