চট্টগ্রাম শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সর্বশেষ:

বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতায় ঢাকা-ওয়াশিংটন চুক্তি সই
ছবি : সংগৃহীত

বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতায় ঢাকা-ওয়াশিংটন চুক্তি সই

অনলাইন ডেস্ক

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ৮:৩৩ অপরাহ্ণ

শান্তিপূর্ণ কাজে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছে। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতায় এটিকে নতুন পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে আন্ডার সেক্রেটারি জ্যাকব হেলবার্গ এই বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) সই করেন।

বিএনপির মিডিয়া সেল তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানায়। রেহান আসাদও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সমঝোতায় বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে পারমাণবিক নিরাপত্তা, সুরক্ষা, সেফগার্ডস এবং পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধের নীতি অনুসরণের কথা বলা হয়েছে। দুই দেশই আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সেফগার্ডস চুক্তি ও অতিরিক্ত প্রটোকলের আওতায় রয়েছে।

সম্প্রতি দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোরের বাংলাদেশ সফরের সময় ওয়াশিংটন ঢাকার সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়ে সমঝোতার প্রস্তাব দেয়।

এর আগে গত ৩ আগস্ট পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছিলেন, বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবকে বাংলাদেশ ইতিবাচকভাবে দেখছে। বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ ধরনের সম্পৃক্ততা বিবেচনা করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছিলেন।

তিনি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো দ্বিপক্ষীয় চুক্তি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র প্রথম বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি করে ১৯৮১ সালে। চুক্তিটি ১৯৯১ সালের পরে আর নবায়ন হয়নি।

ঢাকা ও ওয়াশিংটনের নতুন করে এমন সময় চুক্তি হওয়ার খবর এলো, যখন রাশিয়ার সহযোগিতায় রূপপুরে বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

পারমাণবিক জ্বালানি আইনের অধীনে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতার চুক্তি করে থাকে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। ওই আইনের ১২৩ ধারায় অধীনে হওয়ার কারণে এটা ‘১২৩ অ্যাগ্রিমেন্ট’ নামে পরিচিত।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ২৬টি দেশ ও সংস্থার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এমন চুক্তি রয়েছে, যার অধীনে অন্তত ৫০ দেশের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার সম্পর্ক তৈরি করেছে দেশটি।

পূর্বকোণ/পারভেজ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট