অধিকাংশ এক্সিট পোলের পূর্বাভাস ছিল, পশ্চিমবঙ্গে এবার জিততে চলেছে গেরুয়া শিবির। ভোট গণনার পূর্বে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল, বিজিপি কি সত্যি এবার মমতার দুর্গ ভাঙতে পারবে? দু-একটি বুথফেরত সমীক্ষা হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাসও দিয়েছিল। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বিতাতো দূরের কথা, শোচনীয় পরাজয়ের গ্লানিতে ডুবেছে দেড় দশক ধরে শাসন করা তৃণমূল কংগ্রেস। বিজিপি-ঝড়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে মমতার নীল দুর্গ। তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী এককভাবে যে দুর্গ গড়ে তুলেছিলেন, ১৫ বছর পর তা ঐতিহাসিক জয়ে গুঁড়িয়ে দিয়ে বিজেপি বড় আলোড়ন তুলেছে। আর এর মধ্য দিয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপিকে প্রথমবারের মত রাজ্য চালানোর ভার দিল পশ্চিমবঙ্গবাসী। একই সঙ্গে টানা তৃতীয়বারের মতো ভূমিধস জয় নিয়ে আসামেও ক্ষমতায় ফিরেছে দলটি।
নির্বাচন কমিশন সোমবার ২৯৩ আসনের ফল ঘোষণা করে।
এতে বিজেপি পেয়েছে ২০৬ আসন। আর মাত্র ৮১টি আসনে জিতে ভরাডুবির মুখে পড়তে হয়েছে তৃণমূল সংগ্রেসকে। এছাড়া কংগ্রেস ২টি, আম জনতা উন্নয়ন পার্টি ২টি সিপিআইএম ১টি এবং অল ইনডিয়া সেকুলার ফ্রন্ট ১টি আসনে জয় পেয়েছে। রাজ্যটির ২৯৪ আসনের মধ্যে অনিয়মের অভিযোগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা কেন্দ্রের ভোট বাতিল করেছিল নির্বাচন কমিশন।
এর আগে ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের আসন ছিল ২১৪টি। অর্থাৎ, সব মিলিয়ে ১৩৩টি আসন তারা এবার খুইয়েছে। এমনকি দলের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরে তার নিজের আসনেও বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন। হেরে গেছেন তার সরকারের অন্তত ১৭ জন মন্ত্রী।
মমতার বিরুদ্ধে এই বিজয়কে হিন্দুত্ববাদীদের জয় হিসেবে অভিহিত করেছেন শুভেন্দু । তার দাবি, মুসলিমরা মমতাকে ভোট দিয়েছে, তাকে দেয়নি। এরপরও ১৫ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয় লাভ করেছেন তিনি। এই পরাজয়ের মাধ্যমে রাজনীতি থেকে মমতার অবসর হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন এ বিজেপি নেতা। এর আগে নন্দীগ্রামের আসনে বিজয় নিশ্চিত করেন মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে থাকা শুভেন্দু অধিকারী। একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় এবার বিধানসভায় যাওয়া হচ্ছে না মমতার।
এই ভোটের মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গবাসী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনকে ‘প্রত্যাখ্যান’ করেছে। অন্যদিকে ২০২১ সালে মাত্র ৭৭ আসন পাওয়া বিজেপির ঘরে এবার যোগ হয়েছে ১২৯টি আসন। সব মিলিয়ে দুই তৃতীয়াংশের বেশি আসনের জয়ে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় বসতে যাচ্ছে বিপুল শক্তি নিয়ে। বিশ্লেষকরা বলছেন, নরেন্দ্র মোদির দলের পশ্চিমবঙ্গ জয় নিছক জয় নয়, বরং বিরাট এক ‘আদর্শিক সাফল্য’।
দলের এই অভাবনীয় পারফরম্যান্সে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিমবঙ্গের এই জয়কে ‘ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেছেন। নয়াদিল্লিতে বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বাংলার ভবিষ্যতে এক নতুন অধ্যায় শুরু হলো। এটি এখন ‘ভয়মুক্ত’ হয়েছে।’ রাত নয়টার আগে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ১৪৭ আসন অতিক্রম করার পর উল্লাসে ফেটে পড়ে দলীয় সমর্থকরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাজ্য বিজেপি বার্তা দেয়, ‘খেলা শেষ’। ২০২১ সালের বিধানসভার নির্বাচনের আগে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল ‘খেলা হবে’ স্লোগান দিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন; যা পরে ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ও একাধিকবার এ স্লোগান ব্যবহার করেন। এবার সেই স্লোগানকে কটাক্ষ করে বিজেপি মমতার ‘খেলা শেষ’হওয়ার বার্তা দিল।
তবে পরাজয় স্বীকার করতে রাজি নন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। বিজেপির বিরুদ্ধে ‘ফল পাল্টে দেওয়ার’ অভিযোগ তুলে তিনি বলেছেন, ‘১০০টির বেশি আসন ‘লুট’ হয়েছে। এটা কী ধরনের জয়! এটা ইমমোরাল ভিক্ট্রি। মোরাল ভিক্ট্রি নয়। পুরোটাই বেআইনি। জোর করে জিতেছে। লুট, লুট, লুট। আমরা ঘুরে দাঁড়াবই।’
বিশ্লেষকরা বলছেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, উদার জনকল্যাণমূলক অনুদান এবং দেশের হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের কাছে আবেদন পৌঁছানোর যে কৌশল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গ্রহণ করেছেন, তা এখন একটি নিশ্চিত জয়ের ফর্মুলায় পরিণত হয়েছে। এমনকি বিরোধীদের শক্ত ‘ঘাঁটি’ হিসেবে পরিচিত অঞ্চলগুলোতেও এটি কাজ করছে। এর পেছনে রয়েছে বিশাল নির্বাচনী তহবিল, যার তুলনায় বিরোধীদের অর্থবল একেবারেই নগণ্য। তবে বিরোধী দল এবং কিছু বিশ্লেষক বলছেন, বিজেপির এই সাফল্য আসামে নির্বাচনী সীমানা পুনর্নির্ধারণ এবং বাংলায় ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো বিষয়গুলোর প্রতিফলন, যার ফলে লাখ লাখ মানুষ (যাদের মধ্যে অনেকেই মুসলিম) তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। এই বাদ পড়াদের বড় অংশই তাদের সমর্থক। তবে নির্বাচন কমিশন বলেছে, এই প্রক্রিয়াটি নিয়ম মেনেই করা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিগত বছরগুলোতে দুর্নীতির নানা অভিযোগ, সিন্ডিকেট রাজ এবং তৃণমূল স্তরে ‘কাটমানি’ নেওয়ার সংস্কৃতি ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি করেছিল। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ কমে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচনকালীন বিভিন্ন প্রশাসনিক রদবদল শাসক দলের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আরজি করের মতো মর্মান্তিক ঘটনা নারীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেয়, যা মমতার নারী ভোটারদের মধ্যে ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে নষ্ট করে। বিরোধীদের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুসলিম ভোটব্যাংকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ায় এবং দলের তোষণ নীতির কারণে সাধারণ হিন্দু ভোটাররা বিজেপির দিকে ঝুঁকেছিল। অতীতে মুসলিম ভোটের ৭৫-৮০ শতাংশ তারা পেলেও নতুন দুটো দল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট ও মুর্শিদাবাদের আম জনতা উন্নয়ন পার্টি মুসলিমদের ভোটে ভাগ বসিয়েছে।
তামিলনাড়ুতে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে নেমে ইতিহাস গড়েছেন বিজয় থালাপতি
এদিকে, ভারতের দক্ষিণের রাজ্য তামিলনাড়ুতে তৈরি হয়েছে নতুন ইতিহাস। ২৩৪ সদস্যের বিধানসভায় প্রায় একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা জোসেফ বিজয়ের নতুন দল ‘টিভিকে’। এর মাধ্যমে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-র মতো দুই দ্রাবিড়ীয় পরাশক্তিকে পেছনে ফেলে এম কে স্টালিনের ডিএমকে সরকারের পতন ঘটিয়েছে তারা। প্রচারে থালাপতি বিজয় নিজেকে ‘প্রতিটি তামিল পরিবারের সদস্য’ হিসেবে তুলে ধরা, আর ‘হুইসেল রেভল্যুশন’-এর ডাক—দুই মিলিয়ে তরুণ ও সাধারণ ভোটারদের বড় অংশকে নিজের দিকে টানতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা দক্ষিণী সুপারস্টার থালাপতির দল ‘তামিলাগা ভেটরি কাজাগম’ (টিভিকে)। মাত্র দুই বছর আগে গঠিত দলটির একক ঝড়েই বড় ধাক্কা খেয়েছেন বিদায়ি মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন।
পরিবর্তন এসেছে কেরালাতেও। সেখানে পিনারাই বিজয়নের নেতৃত্বাধীন এলডিএফ সরকারের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। এর ফলে ভারতের শেষ বামপন্থি সরকারেরও পতন ঘটলো। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে অল ইন্ডিয়া এনআর কংগ্রেস এবং বিজেপির সমন্বয়ে গঠিত এনডিএ জোটের ওপরই আস্থা রেখেছে মানুষ।
তামিলনাড়ুতে থালাপতি বিজয়ের বাজিমাত : বিজয় থালাপতির দল টিভিকে এক নতুন রূপকথার কাব্য রচনা করেছে। ১৯৬৭ সাল থেকে রাজ্যটিতে পালাক্রমে শাসন করে আসা ডিএমকে ও এআইএডিএমকে; এই দুই দ্রাবিড়ীয় দলকে স্তব্ধ করে দিয়েছে তারা। ভারতে এই প্রথম কোনও আঞ্চলিক দল গঠন হওয়ার এত অল্প সময়ের মধ্যে ক্ষমতায় আসার নজির গড়লো। অভিষেকেই বিজয়ের এই জয় ঐতিহাসিক। এ যেন ‘এলেন দেখলেন জয় করলেন।’ ভারতের নির্বাচনি ইতিহাসে এটি মাত্র তৃতীয় ঘটনা, যেখানে কোনও দল গঠনের দুই বছরেরও কম সময়ের মধ্যে ক্ষমতায় এসেছে। এর আগে ১৯৮৩ সালে এন টি রামা রাও দল গঠনের নয় মাসের মাথায় এবং ১৯৮৫ সালে আসাম গণ পরিষদ দল গঠনের দুই মাসের মাথায় ক্ষমতায় এসেছিল। ডিএমকে-বিরোধী হাওয়া এতটাই তীব্র ছিল যে, ক্ষমতাসীন দলটি তাদের শক্ত ঘাঁটি চেন্নাইয়েও পুরোপুরি পরাস্ত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিন তার কোলাথুর আসনে ৮ হাজার ৭৯৫ ভোটের ব্যবধানে হেরে গেছেন। সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে টিভিকে এখন কংগ্রেসসহ ছোট দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে। টিভিকে ১০৮টি আসনে জিতেছে যা একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে ১০টি কম। অন্যদিকে ডিএমকে-র সহযোগী দল কংগ্রেস, মুসলিম লীগ, সিপিএম, সিপিআই, ভিসিকে এবং ডিএমডিকে ১৪টি আসনে জিতেছে বা এগিয়ে রয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে থালাপতি বিজয় জানান, এটি তার কাছে কোনো শখ নয়, বরং জনগণের সেবা করার একটি ‘মিশন’। অভিনয়জগতে অর্জিত জনপ্রিয়তাকে ভিত্তি করে প্রথমবার নির্বাচনী ময়দানে নেমেই তিনি রাজ্যের প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক শক্তিগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেন।
কেরালায় রাজনৈতিক পালাবদল : পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে কেরালাতেও। সেখানে পিনারাই বিজয়নের নেতৃত্বাধীন এলডিএফ সরকার ২০২১ সালে টানা দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে ইতিহাস গড়েছিল। কিন্তু এবার কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফের কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছে। ১৪০টি আসনের মধ্যে ইউডিএফ ১০২টি আসনে জিতেছে বা এগিয়ে রয়েছে, যা কংগ্রেসের জন্য এক বড় স্বস্তি। ২০১৪ সালের পর থেকে কংগ্রেস মাত্র সাতটি রাজ্যে নির্বাচনে জিতেছিল। কেরালায় এটি তাদের অষ্টম জয়। ইউডিএফের এই জয়ের মুখে এলডিএফের আসন সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ৩৫-এ, যার মধ্যে সিপিএম পেয়েছে ২৬টি এবং সিপিআই পেয়েছে ৮টি আসন।
পুদুচেরিতে এনডিএ’র জয় : কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে অল ইন্ডিয়া এনআর কংগ্রেস এবং বিজেপির সমন্বয়ে গঠিত এনডিএ জোট ক্ষমতা ধরে রাখতে চলেছে। ৩০টি আসনের মধ্যে এনআর কংগ্রেস ১২টিতে জিতেছে বা এগিয়ে রয়েছে। ডিএমকে ৫টি এবং বিজেপি ৪টি আসনে রয়েছে। বিজয় পরিচালিত টিভিকে দুটি আসনে জয় পেয়ে সেখানে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিয়েছে। অন্যদিকে এক সময় পুদুচেরি শাসন করা কংগ্রেস মাত্র একটি আসন পেয়েছে।
এবারের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের একটি স্পষ্ট বার্তা হলো, মানুষ পরিবর্তন চেয়েছে। আর সেই পরিবর্তনের ধাক্কায় পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল, তামিলনাড়ুর ডিএমকে থেকে শুরু করে কেরালার এলডিএফ সব ক্ষমতাসীন দলই ক্ষমতা হারিয়েছে। কেবল আসাম ও পুদুচেরি এই ধারার ব্যতিক্রম ছিল।
২০২৪ সালে ওড়িশা জয়ের পর এবার পশ্চিমবঙ্গেও জয় পাওয়ায় দেশের পূর্ব, পশ্চিম ও উত্তর ভারতে বিজেপির নিরঙ্কুশ রাজনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হলো। অন্যদিকে এই ফলাফলের পর বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোট এখন বেশ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে। কেরালাতে জয় পাওয়ায় তেলেঙ্গানা ও কর্ণাটকে ক্ষমতায় থাকা কংগ্রেস কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। তবে আসামে বিজেপির কাছে তারা বড় ব্যবধানে হেরে গেছে। ২০১৪ সালের পর থেকে বিজেপির রাজনৈতিক পরিধি অভাবনীয়ভাবে বেড়েছে। দলটির দাবি অনুযায়ী, ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে যেখানে তাদের বিধায়কের সংখ্যা ছিল ৭৭৩, তা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৯৮ জনে। পশ্চিমবঙ্গের এই জয়ের পর এখন বিজেপির একারই ১৭ জন মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন এবং এনডিএ জোটসহ এই সংখ্যা দাঁড়াবে ২২ জনে। তথ্যসূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, আনন্দবাজার ও বিবিসি।
লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সাংবাদিক
পূর্বকোণ/এএইচ




















