সিনেমা কেবল আনন্দের আয়োজন নয়—তা অনেক সময়েই এক অন্তর্লীন ভাষা, যা উচ্চারিত হয় দৃষ্টির মধ্য দিয়ে, প্রতিধ্বনিত হয় নীরবতায়। যখন এক নির্মাতা বাজার ও প্রতিষ্ঠানের গণ্ডি পেরিয়ে নিজস্ব রসায়নে দৃশ্য নির্মাণ করেন, তখন সেখানে জন্ম নেয় এক বিকল্প ধারার সিনেমা। এ সিনেমা আলো চায় না, বাহবা নয়; সে টিকে থাকে প্রশ্নের মধ্যে, অনিশ্চয়তার পাশে। এই ধারার নাম—ইন্ডিপেনডেন্ট সিনেমা। এই সিনেমার উত্থান একদিনে হয়নি। এর সূচনা ইউরোপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী (post-World War II) বাস্তবতার ভেতর, যেখানে সমাজব্যবস্থা ও শিল্পে এসেছিল নতুন […]