১৯৭৮ এর দিকে আমি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইনডোর প্যাথলজিতে ছিলাম। এক বছর পর এর দায়িত্ব পাই। সে সময় সন্দ্বীপের এক কর্নেল বা ব্রিগেডিয়ার পরিচালক ছিলেন। গিয়ে বললাম, ‘আজ থেকে কোন প্যাথলজি টেস্ট বাইরে যাবে না। নোটিশ দিয়ে এটা জানিয়ে দেন।’ সেভাবে তিনি নোটিফাই করেন, কোন প্যাথলজি বাইরে যেতে পারবে না। এরপরও দুয়েকজন রোগীকে বাইরে পাঠানো হতো। তাদের ডেকে বলে দিলাম, ‘যদি বাইরে রোগী পাঠাও তাহলে গণপিটুনি খাবে।’ তখন এত বেশি টেস্ট হতো না। তারা জানিয়েছিল, সুগার, ইউরিন, বিলিরুবিন- এই […]