ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় সন্দ্বীপ উপজেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলা এবং স্থানীয় প্রশাসনসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় কাজ করছে। দিনে সাগরে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে দুই থেকে আড়াই ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে রবিবার (২৬ মে) রাত ৯টা পর্যন্ত কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় এক লাখ মানুষের জন্য ১৬২টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গবাদিপশুর জন্য পাঁচটি মুজিব কিল্লা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এগুলোতে প্রায় সাত হাজার গবাদিপশুকে নিরাপদ আশ্রয়ে রাখা যাবে। উপজেলা পরিষদ, পুলিশ, আনসার, বিভিন্ন […]