চট্টগ্রাম বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

সর্বশেষ:

স্বপ্রণোদিত ব্যবস্থা গ্রহণসহ জরিমানার ক্ষমতা চায় প্রেস কাউন্সিল

স্বপ্রণোদিত ব্যবস্থা গ্রহণসহ জরিমানার ক্ষমতা চায় প্রেস কাউন্সিল

অনলাইন ডেস্ক

১৪ অক্টোবর, ২০২৬ | ২:৫৩ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইন নতুন করে সাজাতে চায়। তাদের মতে, আজকের অবাধ তথ্যপ্রবাহের যুগে গণমাধ্যম অনেক বড় ও আধুনিক হয়েছে। তাই স্বাধীনতা রক্ষা, মান ঠিক রাখা এবং অপসাংবাদিকতা ও অপপ্রচার ঠেকাতে পুরোনো আইন বদলানো জরুরি।
 
 
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের অধীন ১৪টি প্রতিষ্ঠান লিখিত প্রস্তাব দেয়। প্রেস কাউন্সিলের প্রস্তাবে সই করেছেন সচিব মো. আবদুস সবুর।
 
কাউন্সিল যা চায়: দেশের অখণ্ডতা, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব বা জনস্বার্থের ক্ষতি হয় এমন খবর ছাপলে নিজে থেকেই ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা। গুজব, ভুয়া খবর ও ঘৃণামূলক বক্তব্যের ক্ষেত্রেও একই ক্ষমতা।
 
 
সাংবাদিকদের শাস্তি হিসেবে আর্থিক জরিমানার বিধান
সাংবাদিকদের নিবন্ধন, সনদ ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ।
অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে কাউন্সিলের আওতায় আনা।
সাংবাদিকদের জন্য আচরণবিধি তৈরি ও গেজেটে প্রকাশ।
সাংবাদিকতায় বাধা, হামলা বা মবের ঘটনায় তদন্ত ও সুরক্ষা দেওয়া।
 
সংবাদপত্রের প্রচারসংখ্যা অনুযায়ী চাঁদা (লেভি) আদায়ের ক্ষমতা, যাতে কাউন্সিল আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হয়। জেলা জজ মর্যাদার একজন বিচারককে সদস্য করা, যাতে সাংবাদিকদের অধিকার ও পেশাগত অসদাচরণের বিচার কাউন্সিলেই হয়।
 
 
অভিযোগ পেলে আগে সম্পাদককে অভিযোগকারীর সঙ্গে আলোচনা করে মীমাংসা করতে বলা, যাতে দ্রুত নিষ্পত্তি হয়। একই সঙ্গে অন্য পেশায় থাকাকে পেশাগত অসদাচরণ হিসেবে আইনে স্পষ্ট করা।
 
 
 
আগের উদ্যোগ ও সমালোচনা
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও আইন সংশোধনের চেষ্টা হয়েছিল। ২০২২ সালের জুনে মন্ত্রিসভা খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেয়, কিন্তু আইন শেষ পর্যন্ত বদলানো হয়নি। তখন ১০ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব ছিল, যা পরে বাদ যায়। সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াব বলেছিল, প্রস্তাবটি অস্পষ্ট এবং এর অপব্যবহারের সুযোগ আছে, বিশেষ করে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের “হানিকর” বিষয়ের কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই।
 
 
পূর্বকোণ/আদর 

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট