ঢাকা ও চট্টগ্রামের দুই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৩৩ গ্রাম সোনার গহনা ও সোনার বার এবং একটি আইফোন জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। শুল্ক-করসহ জব্দ পণ্যের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৩৯ লাখ ৪১ হাজার ১৬৭ টাকা।
মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১২ অক্টোবর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কুয়ালালামপুর থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিএস-০৩১৬ ফ্লাইটে আসা যাত্রী ফাতেমা তুজ জোহরার ব্যাগেজ সন্দেহজনক মনে হয়। গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় তাকে তল্লাশি করে ২৯৯ গ্রাম সোনার গহনা ও একটি আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স জব্দ করা হয়। এসব পণ্যের শুল্ক-করসহ আনুমানিক মূল্য ৬১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৭ টাকা।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-১৪৮ ফ্লাইটে আসা দুই যাত্রীর কাছ থেকে ৪৩৪ গ্রাম সোনা জব্দ করা হয়। এর শুল্ক-করসহ আনুমানিক মূল্য ৭৮ লাখ ১২ হাজার টাকা।
সিআইআইডি জানায়, যাত্রী তানবীর হাসান রিফাত শুল্ক ঘোষণা ছাড়াই গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় জিজ্ঞাসাবাদের মুখে প্রথমে সোনা বহনের কথা অস্বীকার করেন। পরে অন্য সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে কাস্টমস হলরুমে তল্লাশি চালিয়ে তার জুতার ভেতর থেকে ১০০ গ্রাম সোনার গহনা এবং দেহ তল্লাশি করে ১১৭ গ্রাম ওজনের একটি সোনার বার উদ্ধার করা হয়।
একই ফ্লাইটের আরেক যাত্রী মো. হাবিবুর রহমানের ব্যাগেজ ও দেহ তল্লাশি করে ১১৭ গ্রামের আরেকটি সোনার বার এবং ১০০ গ্রাম সোনার গহনা পাওয়া যায়। সংশ্লিষ্ট এক যাত্রীর পাসপোর্টে ২০২৬ সালে আগে ব্যাগেজ সুবিধায় সোনা আনার তথ্যও মিলেছে।
সিআইআইডি জানায়, শাহ আমানত বিমানবন্দরে গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন যাত্রীর কাছ থেকে মোট ৯০২ গ্রাম সোনা জব্দ করা হয়েছে। এনবিআর জানায়, এর মধ্যে ৭০২ গ্রাম সোনার বার ও ২০০ গ্রাম গহনা।
পূর্বকোণ/আদর/পারভেজ


















