নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের পদত্যাগসহ পাঁচ দফা দাবিতে ঢাকার দিলকুশায় অবস্থিত যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ঘেরাও ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয় যুবশক্তি। আজ রোববার বেলা ১২টার দিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই যুব সংগঠনটি অধিদপ্তরের ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
কর্মসূচিমঞ্চ থেকে সংগঠনটির পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো:
যুব ও ক্রীড়া উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের অবিলম্বে পদত্যাগ।
প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তি।
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যেকোনো ধরনের দলীয়করণ, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম বন্ধ করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করা।
পুলিশি ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি এবং ভাইভার নম্বরে কারসাজি বন্ধ করা।
বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও যুব উন্নয়নে সরকারের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা জনসম্মুখে প্রকাশ করা।
ঘেরাও কর্মসূচিকালে যুবশক্তির নেতাকর্মীরা “প্রশ্নফাঁস বন্ধ করো, মেধার অধিকার নিশ্চিত করো”—এমন নানা স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন পুরো এলাকা। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পূর্ণ স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান তারা। বেলা পৌনে ১টার দিকে তাদের ঘেরাও কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।
ঘটনাসংক্রান্ত বিষয়ে জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “শনিবারের প্রশ্নফাঁসের ঘটনা প্রমাণ করে যে বর্তমান সরকার ও যুব এবং ক্রীড়া মন্ত্রণালয় যুব সমাজের কল্যাণ নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবছে না; বরং তারা নিয়োগ বাণিজ্যে লিপ্ত রয়েছে। এত বড় একটি জঘন্য ঘটনার পরও যুব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক নীরব ভূমিকা পালন করছেন। এই ব্যর্থতার দায় নিয়ে তার পদত্যাগ করা উচিত এবং পুরো ঘটনার একটি নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।”
পূর্বকোণ/ঐশী


















