চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ০১ অক্টোবর, ২০২৬

সর্বশেষ:

এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ৪ দিনের রিমান্ডে

এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ৪ দিনের রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক

১ অক্টোবর, ২০২৬ | ৪:৪৩ অপরাহ্ণ

সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামের নিহত দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের মামা ওবায়দুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
 
 
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন এ আদেশ দেন।
 
 
গত ২৮ সেপ্টেম্বর ওবায়দুরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ১ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।
 
 
 
সে অনুযায়ী আজ ওবায়দুরকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ড আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন।
 
 
আসামিপক্ষে আইনজীবী রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানিসহ বিচারক তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
 
 
এ মামলার প্রধান আসামি সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামের সঙ্গে আপস হয়েছে বলে বুধবার আদালতকে জানান মামলার বাদী ও মরিয়মের বাবা এস. এম. মাসুম বিল্লাহ। ওইদিন মাকসুদা ইসলামের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।  
 
 
এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর এসআরবি মিরপুর এলাকা থেকে ওবায়দুরকে গ্রেপ্তার করে ডিবির কাছে হস্তান্তর করে।
 
 
এর আগে দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম ও প্রথম স্ত্রীর মামা ওবায়দুর রহমানের নামে মামলা করেন নিহতের বাবা এস. এম. মাসুম বিল্লাহ। 
 
 
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জুন মাসে ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে মরিয়মের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মরিয়মকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ করেন তার বাবা। এসব নির্যাতনের বিষয় মরিয়ম বিভিন্ন সময়ে পরিবারের সদস্যদের মোবাইল ফোনে জানিয়েছিলেন।
 
 
এজাহার অনুযায়ী, ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গাজী নজরুল ইসলাম ফোন করে মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিশ্বাসকে তার বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে তিনি অনেক লোকজনের উপস্থিতি দেখতে পান। পরে জানতে পারেন, বাসার একটি কক্ষে মরিয়ম ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়েছেন।
 
পূর্বকোণ/রাকিব 

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট