পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে পুঁজি করে বান্দরবানে বাড়ছে রিসোর্ট, কটেজ ও মাচাংঘরের সংখ্যা। তবে এসব স্থাপনা নির্মাণে পাহাড়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ও ভূমিরূপ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ‘ইকো রিসোর্ট’ নাম ব্যবহার করা হলেও অনেক স্থাপনায় পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনার ঘাটতি রয়েছে বলে জানা গেছে।
জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ের ঢাল কেটে তৈরি করা হচ্ছে সড়ক ও স্থাপনার ভিত্তি। কোথাও রাবার বাগান ও হর্টিকালচারের জন্য লিজ নেওয়া জমিতে নির্মিত হয়েছে রিসোর্ট। আবার কোথাও খাস পাহাড় দখল করে পর্যটন স্থাপনা গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, কিছু স্থাপনা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে। কারও কাছে জেলা প্রশাসনের দপ্তরে জমা দেওয়া আবেদনের কপি রয়েছে, কেউ ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা করছেন। ফলে এসব স্থাপনার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
পর্যটনসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, বান্দরবানের বিভিন্ন পাহাড়ে পাঁচ শতাধিক রিসোর্ট, কটেজ ও মাচাংঘর রয়েছে। অথচ জেলা প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী, অনুমোদিত হোটেল ও রিসোর্টের সংখ্যা ৭৯টি। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র রয়েছে মাত্র ৩২টির।
পরিবেশ সচেতন মহলের মতে, পাহাড়ের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলা জরুরি। এ ক্ষেত্রে স্থাপনাগুলোর অনুমোদন যাচাই এবং পরিবেশগত নিয়ম মেনে নির্মাণকাজ হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
পূর্বকোণ/পল্লবী



















