মহররমের দশ তারিখে কাঁদে ধরণী-আকাশ,
কারবালার বালুচরে জাগে শোকের ইতিহাস।
রাসূল-দৌহিত্র হোসাইন এলেন সত্যের পতাকা হাতে, জুলুমের সাথে আপস নয়, দাঁড়ালেন ন্যায়ের পথে।
ইয়াজিদের ক্ষমতালোভে আঁধার ঘনিয়ে আসে,
সত্যদীপ্ত আহলে বাইত লড়ে নির্ভয় দীপ্ত বিশ্বাসে।
ফোরাত নদী নিকটেই ছিল, তৃষ্ণা তবু মেটে না,
শিশুর কান্না মরুর বুকে, পাষাণ হৃদয় ফেটে না।
আলী আসগরের শুকনো ওষ্ঠে তীব্র তৃষার জ্বালা, জালিম তীরে বিদ্ধ হলো নিষ্পাপ ফুলের মালা।
একে একে সাথিরা সব শাহাদাতের পানে,
রক্তরাঙা সূর্য ডুবে কারবালার প্রান্তরে রনে।
সেজদাতে মস্তক নত, হৃদয় ভরা নূর,
সত্যের তরে প্রাণ বিলায়ে হলেন বীর অমর ।
আজও সেই রক্তের ধারা জাগায় বিবেক-প্রাণ, কারবালার শিক্ষা বুকে সত্যেরই জয়গান।
হকের পথে রক্ত যে ঝরে, মুছে না তার দান,
যুগে যুগে জাগায় মানুষে পরম ত্যাগের মহাগান।
কারবালার সেই আহ্বান আজও বক্ষে বাজে, সত্য-ন্যায়ের দীপশিখাটি জ্বলে যুগের মাঝে।
ইমাম হোসাইনের ত্যাগ জাগুক হৃদয়-মাঝে,
ন্যায় ও প্রেমের আলোকধারা ছড়িয়ে যাক সমাজে।
শাহেদ বলে,কারবালার প্রেমদীক্ষা রাখি প্রাণে,
সত্যের পথে চলব মোরা মানবতার টানে।
পূর্বকোণ/আলতাফ/সিজান















