চট্টগ্রাম শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৪

গবেষণা ম্যানুস্ক্রিপ্ট লেখার অভিজ্ঞতা নেই ৯৬ শতাংশ চিকিৎসকের

অনলাইন ডেস্ক

৩১ জুলাই, ২০২৩ | ৮:১০ অপরাহ্ণ

চিকিৎসা পেশায় গবেষণা অত্যাবশ্যকীয় হলেও দেশের ৮৭ দশমিক ২ শতাংশ চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক কোনো জার্নালে গবেষণা নেই। এমনকি ৯৬ দশমিক ২ শতাংশ চিকিৎসকের গবেষণা ম্যানুস্ক্রিপ্ট (পাণ্ডুলিপি) লেখার অভিজ্ঞতা নেই। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ডিপার্টমেন্ট অফ পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের এক গবেষণায় এসব তথ্য জানা গেছে।

 

সোমবার (৩১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে ‌‘চিকিৎসকদের গবেষণায় সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি: চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ-সুবিধা’ শীর্ষক এক সেমিনারে এই গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ডিপার্টমেন্ট অফ পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্সের চেয়ারম্যান এবং প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. আতিকুল হক।

 

গবেষণায় বলা হয়, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি এবং নতুন উদ্যোগ প্রণয়নের জন্য গবেষণা অপরিহার্য। বাংলাদেশের চারটি টারশিয়ারি কেয়ার হাসপাতালের মোট ৫০০ জন চিকিৎসক এই গবেষণায় অংশ নেন। যদিও চিকিৎসকদের গবেষণা সম্পর্কে কিছু ধারণা রয়েছে, তবে মাত্র ১২ দশমিক ৮ শতাংশ চিকিৎসক আন্তর্জাতিক জার্নালে কোনো ম্যানুস্ক্রিপ্ট জমা দিয়েছেন, আর বাকি ৮৭ দশমিক ২ শতাংশ কখনই দেননি। এছাড়াও মাত্র প্রায় ৩ দশমিক ৮ শতাংশ চিকিৎসকের গবেষণা ম্যানুস্ক্রিপ্ট লেখার অভিজ্ঞতা রয়েছে, অভিজ্ঞতা নেই ৯৬ দশমিক ২ শতাংশ চিকিৎসকের।

 

এতে আরও বলা হয়, দেশের মাত্র ১৫ দশমিক ৬ শতাংশ চিকিৎসক এসপিএসএস বা স্ট্যাটার মতো পরিসংখ্যানগত সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন। আর এসব সফটওয়্যার সম্পর্কে কোনো ধারণাই রাখেন না ৮৪ দশমিক ৪ শতাংশ চিকিৎসক।

 

গবেষণায় প্রতিবন্ধকতা প্রসঙ্গে ড. মো. আতিকুল হক বলেন, গবেষণা করার প্রধান বাধাগুলো হলো পেশাগত কাজের অতিরিক্ত চাপ, গবেষণা সম্পর্কিত জ্ঞানের কিছুটা অভাব। এছাড়াও গবেষণার জন্য অনুদান না থাকা এবং গবেষণায় পূর্ব জ্ঞান কিছুটা কম থাকা গবেষণার পথে অন্যতম অন্তরায়।

 

তিনি আরও জানান, গবেষণার প্রস্তাবিত সুপারিশগুলো ছিল গবেষণা অনুদান প্রস্তাবনা লেখার বিষয়ে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ এবং একাডেমিয়ায় একটি গবেষণা সংস্কৃতির সামগ্রিক প্রতিষ্ঠা ও প্রচার নিশ্চিত করা।

 

পূর্বকোণ/জেইউ/পারভেজ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট