চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৪

সর্বশেষ:

২০ টাকা বেড়ে ১০ টাকা কমল মুরগির দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৩ জুন, ২০২৪ | ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ

কোরবানির ঈদের পর দুদফায় ২০ টাকা বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। তবে গতকাল মুরগির দাম ১০ টাকা কমেছে। গতকাল শনিবার নগরের ২ নম্বর গেট এলাকার কর্ণফুলী কমপ্লেক্স, কাজীর দেউড়ি, রিয়াজউদ্দিন বাজার, বহদ্দারহাটসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করতে দেখা গেছে। দুদিন আগে বৃহস্পতিবার ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। তবে কোরবানির আগে গেল ১৫ জুন ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। একই সঙ্গে কাঁচামরিচ-টমেটোর দাম আরও বেড়েছে।

 

দাম বৃদ্ধির বিষয়ে রিয়াজউদ্দিন বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল হামিদ বলেন, ঈদের পর দাম কিছুটা বাড়তি ছিল। আমরা তো খামারিদের কাছ থেকে কিনি। তাদের কাছে দাম বাড়লে আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হয়। তবে আজ (শনিবার) কিছুটা কমেছে। ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে খুচরা বিক্রেতারা খামার ও পাইকারি পর্যায়ে দাম বৃদ্ধির কথা বলছেন। এই বিষয়ে ফটিকছড়ি এলাকার খামারি মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঈদের পরপর আমরা ১৬২ টাকা পাইকারি দরে সরবরাহ দিয়েছিলাম। আগে অবশ্য আরও কম ছিল, তবে বেশ কিছু মুরগি মারা গেছে আমাদের, এতে কিছুটা দাম বেড়ে গেছে। এখন আমরা ১৫৭ করে দিচ্ছি। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে সোনালি ও দেশি মুরগির দাম। গতকাল সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা ও দেশি মুরগি ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এদিকে আরও বেড়েছে কাঁচা মরিচ ও টমেটোর দাম। এরমধ্যে গেল এক সপ্তাহে কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে ১০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। ৪০ টাকা বেড়ে টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়।

 

অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য সবজির দাম। এরমধ্যে শসা, বরবটি ও কাঁকরোল ১০০ টাকা, পটল, চিচিঙ্গা, পেঁপে ৫০ টাকা, গাজর ১৪০, আলু ৫৫-৬০, করলা ৮০, লাউ ও মিষ্টি কুমড়া ৪০, ঝিঙ্গে ৭০ এবং লতি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

 

সচল হচ্ছে খাতুনগঞ্জ: ঈদের ছুটি শেষে সচল হচ্ছে ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ। ঈদের দুদিন পর গত বুধবার থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ফিরতে শুরু করেছেন খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা। তবে বুধ-বৃহস্পতিবার কিছু ব্যবসায়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুললেও এখনও পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হয়নি। আজ রবিবার ব্যাংক খুললে খাতুনগঞ্জে পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হবে বলে আশা ব্যবসায়ীদের।

 

চাক্তাই খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দীন বলেন, বুধ-বৃহস্পতিবারও ব্যাংক খোলা ছিল, কিন্তু ব্যবসায়ীরা সবাই আসেননি। শনিবারও কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। আশা করি রবিবার থেকে পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হবে।

পূর্বকোণ/এসএ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট