চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

সর্বশেষ:

জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপত্তা জোরদার করেছে নৌবাহিনী

অনলাইন ডেস্ক

১২ মার্চ, ২০২৬ | ১০:১৪ অপরাহ্ণ

দেশের সমুদ্রসীমা ও সমুদ্রপথে জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এই অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম সচল রাখতে সমুদ্রপথে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে এলএনজি, এলপিজি, পেট্রোল, ডিজেল ও জেট ফুয়েলসহ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি পরিবহণকারী জাহাজ দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার মূল অংশ। এসব জ্বালানির প্রধান উৎস ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজ, যেগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌবাহিনী সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের সমুদ্রসীমায় অবস্থানরত জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরসংলগ্ন এলাকা, গভীর সমুদ্র এবং গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুটে নৌবাহিনীর টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

আইএসপিআর আরও জানায়, নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও দ্রুতগামী বোট মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি মেরিটাইম প্যাট্রোল এয়ারক্রাফট ও হেলিকপ্টারের মাধ্যমে আকাশ থেকে নজরদারিও চালানো হচ্ছে। এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সমুদ্রপথে সার্বক্ষণিক টহল, আকাশ থেকে পর্যবেক্ষণ এবং সন্দেহজনক জাহাজ বা নৌযান শনাক্ত করার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

ফলে জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল, নোঙর করা এবং বন্দরে প্রবেশ ও বহির্গমন নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে বলে জানিয়েছে নৌবাহিনী। এ ছাড়া, সম্ভাব্য চোরাচালান, অপতৎপরতা বা অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনীর বিশেষ অপারেশনাল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌবাহিনী বন্দর কর্তৃপক্ষ, কোস্টগার্ড, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট জ্বালানি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। ফলে দেশের জ্বালানি আমদানি, সংরক্ষণ ও পরিবহন ব্যবস্থার নিরাপত্তা আরও সুসংহত হয়েছে।

নৌবাহিনী জানায়, দেশের সামুদ্রিক সীমানা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় তারা সবসময় সতর্ক ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং সমুদ্রপথে নির্বিঘ্ন বাণিজ্যিক কার্যক্রম বজায় রাখতে এ ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

পূর্বকোণ/এএইচ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট