
পবিত্র রমজানের পর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে মনে করেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
রোববার (১ মার্চ) দুপুরে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ৬ আগস্ট দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর বিভিন্ন সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ ভেঙে দিয়েছিল তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এখন বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
জাতীয় সংসদ ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠান করা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সাংবিধানিক দায়িত্ব। এ ছাড়া আইনের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে ইসিকে। বিষয়টি উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, বছরজুড়ে বা বছরের বেশির ভাগ সময়জুড়ে বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি মনে করেন, রমজানের পরপরই স্থানীয় সরকারের সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় রয়েছে। সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের বিধানটি বাদ দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশ জারি করেছিল। যতগুলো অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে, সেগুলো জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংসদে উত্থাপন করতে হয়। সংসদ সেখানে বিবেচনা করবে। বিবেচনা করে যেটা রাখার প্রয়োজন, সেটা রাখবে। সংসদে উত্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে এটি অনুমোদন করা না হলে সেটা বাতিল হবে।
আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সংসদ যদি মনে করে এটি (দলীয় প্রতীক বাদ দেওয়া) ভালো, তাহলে সেভাবে নির্বাচন হবে। আর যদি মনে করে আগের মতো (দলীয় প্রতীক) থাকাই ভালো, তাহলে আগের মতোই থাকবে, নির্বাচন সেভাবেই হবে। সংসদে বিষয়টি সুরাহা হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন পরপর বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে ব্যস্ত থাকবে।
পূর্বকোণ/কায়ছার/পারভেজ