
পর্দা উঠলো এ বছরের অমর একুশে গ্রন্থমেলার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টা ১৩ মিনিটে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বইমেলার উদ্বোধন করেন। পরে তিনি উদ্বোধন স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এর আগে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে পবিত্র কোরআনসহ বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। এরপর রীতি অনুযায়ী সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
সংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরার নেতৃত্বে সুরসপ্তকের শিল্পীদের পরিবেশনায় গাওয়া হয় ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গান।
পরে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। দুপুর ২টায় মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বাংলা একাডেমির সভাপতি আবুল কাসেম ফজলুল হক, মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য পদত্যাগী উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান, উপ-উপাচার্য মামুন আহমেদসহ কবি, শিল্পী ও বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রীসহ অতিথিরা বইমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
এবারের বইমেলায় অংশ নিচ্ছে মোট ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি প্রতিষ্ঠান স্টল পেয়েছে।
মোট ইউনিট সংখ্যা এক হাজার ১৮টি। গত বছর অংশ নিয়েছিল ৭০৮টি প্রতিষ্ঠান, ইউনিট ছিল ১ হাজার ৮৪টি।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চসংলগ্ন গাছতলায় থাকছে লিটল ম্যাগাজিন চত্বর; সেখানে ৮৭টি লিটল ম্যাগাজিনকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শিশুচত্বরে থাকছে ৬৩টি প্রতিষ্ঠান ও ১০৭টি ইউনিট।
পূর্বকোণ/পিআর