চট্টগ্রাম শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৪

কর্ণফুলীতে কিশোরীকে ধর্ষণ, আরও ৩ আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

৯ জুলাই, ২০২৪ | ৪:২২ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলায় তিন পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গ্রেপ্তাররা হল- মো. সোলায়মান (২৩), মো. রাজু (২৪) ও মো. নাজমুল প্রকাশ সাকমান (২০)।

 

সোমবার (৮ জুলাই) রাতে নগরীর বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 

র‌্যাব জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরী কক্সবাজারের পেকুয়া থানার বাসিন্দা। গত ১৮ জানুয়ারি পেকুয়া থেকে কর্ণফুলীতে বড় ভাইয়ের বাসায় বেড়াতে যাওয়ার পথে মাহিন্দ্রা চালক মো. শওকতের সাথে তার পরিচয় হয়। পরে ওই চালক তাকে গার্মেন্টসে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাসা ভাড়া নিতে বলে। পরে চালক শওকত ও তার বন্ধুরা মিলে ভিকটিমকে সঙ্গে নিয়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে কর্ণফুলীর শিকলবাহা এলাকায় বাসা খোঁজাখুঁজি করে। একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১০টায় তারা বেল্লাপাড়া মোড়ে পৌঁছালে সেখানে আগে থেকে অবস্থানরত ৭ জন দুষ্কৃতিকারী মাহিন্দ্রা চালক শওকত এবং তার বান্ধবী বিলকিছ আক্তার ও বন্ধু ইমনকে মারধর করে। পরে জোরপূর্বক ভিকটিমকে অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় বিলকিছ আক্তার মইজ্জ্যারটেক মোড় এলাকায় গিয়ে পুলিশকে ঘটনার বিষয়ে জানালে পুলিশ ওইদিন দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় আসামি আকাশকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় অসুস্থ অবস্থায় ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওসিসিতে (ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার) ভর্তি করা হয়। পরে এ ঘটনায় ভিকটিমের খালা বাদী হয়ে কর্ণফুলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

 

র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র পরিচালক (মিডিয়া) মো. শরীফ-উল-আলম বলেন, এ মামলার ৩ নম্বর পলাতক আসামি মো. সোলায়মানকে সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় কর্ণফুলীর শাহ্ আমানত টোল প্লাজা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে- মইজ্জারটেক এলাকা থেকে রাজু ও নগরীর কালামিয়া বাজার থেকে নাজমুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের কর্ণফুলী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পূর্বকোণ/পিআর/এএইচ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট