চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৪

সর্বশেষ:

শরণার্থী দিবসে ১৫ দেশের বিবৃতি : মিয়ানমারে চলা সংঘাতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন অসম্ভব

অনলাইন ডেস্ক

২১ জুন, ২০২৪ | ৯:৪৯ অপরাহ্ণ

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলা সংঘাতের কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিকট ভবিষ্যতে অসম্ভব বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ১৫টি দেশ। বৃহস্পতিবার বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে এসব দেশের ঢাকার দূতাবাসের দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। একইসঙ্গে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্বেচ্ছায় নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রত্যাবাসনের আশাবাদও ব্যক্ত করে দেশগুলো।

 

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সবাইকে নতুন উদ্যমে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, মিয়ানমারে ক্রমবর্ধমান সংঘাত এবং মানবিক অবস্থার অবনতির অর্থ হলো, নিকট ভবিষ্যতে প্রত্যাবাসন অসম্ভব। আমরা রাখাইন রাজ্যের ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি ও সীমান্তের ক্রস-বর্ডারে এর প্রভাব নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আজ আমরা সকল নাগরিকের সুরক্ষার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করছি।বিবৃতিতে বলা হয়, শরণার্থী দিবসে আমরা সংঘাত, সহিংসতা এবং নিপীড়নের কারণে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত বিশ্বের ১২ কোটি মানুষের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছি। এদের মধ্যে রয়েছে ১০ লাখ রোহিঙ্গা, যারা মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। আমরা বাংলাদেশ সরকারকে রোহিঙ্গাদের প্রয়োজনের সময় সমর্থন দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাই। আমরা সকল প্রতিকূলতায় রোহিঙ্গা জনগণের অবিশ্বাস্য স্থিতিশীলতা এবং আত্মবিশ্বাস সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করছি। আমরা সবাই রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং বাংলাদেশের স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’যৌথ বিবৃতিদাতা অন্য দেশগুলো হলো– অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ডেনমার্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড।

 

জলবায়ু বস্তুচ্যুত ও রোহিঙ্গা সংকট নিরসনের দাবি অক্সফামের

এদিকে রোহিঙ্গা এবং জলবায়ু বিপর্যয়ের কারণে গত এক দশকে অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত বাংলাদেশের ১৮ লাখ মানুষের সংকট নিরসন ও পুনর্বাসনে পদক্ষেপ নিতে বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অক্সফাম ইন বাংলাদেশ। শরণার্থী দিবসে গতকাল সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানায় সংস্থাটি। 
অক্সফামের সমীক্ষা অনুযায়ী, জলবায়ু বিপর্যয় সংক্রান্ত কারণে এ মুহূর্তে দেশের প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার শিকার, যা মোট জনসংখ্যার ৩১ শতাংশ। সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় রিমালে ৪৬ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ৪৬ জেলার কৃষিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, যা এই সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। 

 

 

পূর্বকোণ/আরআর/পারভেজ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট