চট্টগ্রাম রবিবার, ০৮ মার্চ, ২০২৬

ইরান আরও ৬ মাস যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সক্ষম: আইআরজিসি
আইআরজিসির মুখপাত্র আলি মোহাম্মদ নাইনি। ছবি: সংগৃহীত

ইরান আরও ৬ মাস যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সক্ষম: আইআরজিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৮ মার্চ, ২০২৬ | ১২:৫৯ অপরাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তারা আরও ছয় মাস পর্যন্ত তীব্র যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সক্ষম বলে দাবি করেছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) একজন কর্মকর্তা।

 

অপরদিকে ইসরায়েল দাবি করেছে যে, তারা লেবাননের বৈরুতের কেন্দ্রস্থলে সমুদ্রতীরবর্তী একটি হোটেলে তেহরানের কমান্ডারদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

 

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সির বরাতে আইআরজিসির মুখপাত্র আলি মোহাম্মদ নাইনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বর্তমান গতির এই তীব্র যুদ্ধ অন্তত ৬ মাস চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে।’

 

বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘাত দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এর আঞ্চলিক প্রভাবও দ্রুত বাড়ছে। সৌদি আরব জানিয়েছে, রাজধানী রিয়াদের কূটনৈতিক এলাকাসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর দিকে ধেয়ে আসা একাধিক ড্রোন তারা ভূপাতিত করেছে। অন্যদিকে কুয়েত বলেছে, তাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জ্বালানি ট্যাংকে একটি হামলা হয়েছে।

 

কুয়েতের বিমান চলাচলের জ্বালানি সংরক্ষণাগারে হামলার ঘটনাটি জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। একইসঙ্গে দেশটির জাতীয় তেল কোম্পানি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে হুমকির কারণে তারা অপরিশোধিত তেলের উৎপাদন কমাচ্ছে। এই প্রণালি দিয়েই বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়।

 

তেহরান শনিবার অভিযোগ করে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের রাজধানীতে একটি তেল ডিপোতে হামলা চালিয়েছে। ইসলামি প্রজাতন্ত্রের তেল অবকাঠামোর ওপর এটিই প্রথম হামলা বলে জানা গেছে। এর মধ্যে বিশ্ববাজারে শেয়ারবাজারে পতন এবং অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বেড়ে গেছে।

 

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা তেহরানে ‘বেশ কয়েকটি জ্বালানি সংরক্ষণাগার’ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, যেগুলো ‘সামরিক অবকাঠামো পরিচালনায় ব্যবহৃত’ হচ্ছিল।

 

রবিবার ইসরায়েলি বাহিনী ‘তেহরানজুড়ে’ নতুন করে হামলা চালায়। এর আগে তারা বৈরুতের কেন্দ্রস্থলের একটি পর্যটকপ্রিয় এলাকায় অবস্থিত হোটেলে নির্ভুল হামলা চালিয়ে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বিদেশি অভিযান শাখা কুদস ফোর্সের ‘গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডারদের’ লক্ষ্যবস্তু করে।

পূর্বকোণ/পিআর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট