
চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ হাজার ১১৫ জন। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এ কেন্দ্রে ভোট দেন ৫৯৬ জন, যা মোট ভোটারের ১৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। শুধু কেন্দ্রটি নয়। একই এলাকার আরো ৪টি ভোটকেন্দ্রের অবস্থাও ছিল একই।
ভোট প্রদানের হার কম দেখে এর কারণ অনুসন্ধান করে সেনাবাহিনী। জানতে পারে কিছু দুষ্কৃতকারী ভোটারদের আসতে বাধা দিচ্ছে। এরপর সেনাবাহিনী তৎপরতা শুরু করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং ভোটগ্রহণ স্বাভাবিক হতে শুরু করে। দুপুর হতে হতে ওই পাঁচ কেন্দ্রে বৃদ্ধি পায় ভোটার উপস্থিতি।
এ বিষয়ে টাস্কফোর্স–৪ এর মেজর তানভীর জানান, এলাকাটিতে সংখ্যালঘু ভোটার বেশি এবং পাঁচটি কেন্দ্র মিলে মোট ভোটার প্রায় ২০ হাজারের মতো। সকালের দিকে ভোট দেওয়ার হার কম হওয়ায় কারণ উদ্ঘাটন করে দেখা যায়, কিছু দুষ্কৃতকারী এলাকায় একটি জায়গায় জড়ো হয়ে ভোটারদের ভোট দিতে বাধা প্রদান করছে। সেনাবাহিনীর তৎপরতায় দ্রুত তা সমাধান করা হলে ভোট দেওয়ার হার সাথে সাথে বেড়ে যায়। এরপর থেকে ভোট প্রদান স্বাভাবিক থাকে।
জানা গেছে, পাঁচ কেন্দ্রের মধ্যে বাকলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে বিকাল ২টা ৫০ মিনিটে ভোট কাস্ট হয় ৯২৫টি, যা মোট ভোটারের ২৯ দশমিক ৭০ শতাংশ। বাকলিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে (কেন্দ্র–২) বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে ভোটের হার ছিল ২২ শতাংশ, যা দুপুর ২টায় বেড়ে হয় ৩৩ শতাংশ। বাকলিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (কেন্দ্র–৩)-এ সকাল ১০টায় ভোট পড়ে মাত্র ১৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ। দুপুর ২টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৯ দশমিক ১৬ শতাংশে। বাকলিয়া আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে (কেন্দ্র–২) বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে ভোটের হার ছিল প্রায় ২৫ শতাংশ, যা দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে বেড়ে দাঁড়ায় ৪৩ শতাংশে। পশ্চিম বাকলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বেলা ১১টায় ভোট পড়েছিল ১৫ শতাংশ, যা দুপুর ৩টা নাগাদ বেড়ে হয় ৩১ শতাংশ।