চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সর্বশেষ:

চট্টগ্রামের ডকুমেন্টারি প্রিমিয়ার শো’তে মনজিল মোরসেদ

‘রক্ষকরা ভক্ষকের ভূমিকায় থাকায় কর্ণফুলির অবৈধ স্থাপন উচ্ছেদ হচ্ছে না’

অনলাইন ডেস্ক

৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ১১:২৭ অপরাহ্ণ

রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকায় থাকায় কর্ণফুলির অবৈধ স্থাপন উচ্ছেদ হচ্ছে না। গত ১৬ বছর ধরে কর্ণফুলি নদী রক্ষায় আমরা ৭টি মামলা জিতেছি। একই গ্রাউন্ডে বন্দরের সহায়তায় দখলকারীরা বারবার মামলা করায় কর্ণফুলী নদী ভরাট হয়ে যাচ্ছে। দখলকারীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। চট্টগ্রামবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে দখলদারদের প্রতিহত না করলে একদিন কর্ণফুলি মরা নদীতে পরিণত হবে।

এ কথা বলেছেন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পীস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)র প্রেসিডেন্ট, সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

আজ (বৃহস্পতিবার) চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউটে ‘কালের ধ্রুবতারা অ্যাডভোকেট মঞ্জিল মোরসেদ’ শীর্ষক ডকুমেন্টারি ফিল্মের প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

জনস্বার্থে দাযয়েরকৃত সাড়ে তিনশত মামলার ঘটনা প্রবাহ এবং তার জীবনী নিয়ে ‘কালের ধ্রুবতারা অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ’ শীর্ষক ডকুমেন্টারিটি নির্মাণ করেছে ‘নাগরদোলা ফিল্মস’।

বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরাম সভাপতি প্রকৌশলী মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে দিলরুবা খানম ছুটির উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডকুমেন্টারি নির্মাতা আলীউর রহমান। তিনি বলেন, একজন মনজিল মোরসেদ নিজ অর্থায়নে দেশের জন্য জনস্বার্থে মামলা করে যে মাইলস্টোন স্থাপন করেছে সেটা চিরস্থায়ী থাকবে। অন্যান্য আইনজীবীদের তার দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা উচিৎ।

প্রিমিয়ার শো’র উদ্বোধক সাবেক চসিক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণে চট্টগ্রাম পরিবেশ কর্ণফুলি দখল বেড়ে চলেছে এবং প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি একটা নান্দনিক নগরকে বায়ু দূষণের শীর্ষ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এটি কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবুল মোমেন। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং সামাজিক অবক্ষয়ের কারণেই সমাজে খারাপ লোকের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ নিজের অবস্থান থেকে যেভাবে দেশের জন্য কাজ করে চলেছেন আমাদের তার দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা উচিত।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি কাজী আবুল মনসুর, চ্যানেল আই চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান চৌধুরী ফরিদ, চট্টগ্রাম ইতিহাস সংস্কৃতি গবেষণা কেন্দ্র’র সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মীর্জা মোহাম্মদ ঈসমাইল, চবি নাট্যকলা অধ্যাপক সুবীর মহাজন, মানবাধিকার কর্মী তাপস হোড়, মিঠুল দাশগুপ্ত, প্রীতিলতা ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ দেব, মামলার ভিকটিম শিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদের ভাস্তি মুশফিকা মোস্তফা ,‘কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন’র সভাপতি এস এম পেয়ার আলী, সহ-সভাপতি জাফর আহমেদ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লোকমাল দয়াল প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

পূর্বকোণ/আরআর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট