
কাতারসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানি অর্থ ছেড়ে দিতে যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হয়েছে বলে খবর দিয়েছে রয়টার্স। এক জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্রের বরাতে বার্তা সংস্থাটি এ তথ্য দিয়েছে।
তেহরান এই পদক্ষেপকে ওয়াশিংটনের ‘গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক সংকেত’ হিসেবে দেখছে, যা একটি সম্ভাব্য সমঝোতার পথে অগ্রগতির ইঙ্গিত দেয়।
তবে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি যুক্তরাষ্ট্র। বিষয়টির সংবেদনশীলতার কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, সম্পদ মুক্ত করার সিদ্ধান্তটি সরাসরি হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার সঙ্গে সম্পর্কিত।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি এই আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রীয় ইস্যু হয়ে উঠেছে। ফলে ইরানের সম্পদ মুক্ত করা হলে তা কেবল অর্থনৈতিক চাপ কমাবে না, বরং নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও একটি বড় সমঝোতার অংশ হতে পারে।
সব মিলিয়ে এই সম্ভাব্য পদক্ষেপ আলোচনায় একটি ‘বিশ্বাস গড়ার ব্যবস্থা’ হিসেবে কাজ করতে পারে, যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।
পূর্বকোণ/পিআর