
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে লাকড়ির ঘর থেকে আয়েশা সিদ্দিকা মুক্তা (২২) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত মুক্তার ২ বছরের একটি ছেলে ও মাত্র ৩ মাসের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।। মৃত্যুকে ঘিরে নিহতের পরিবার ও শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে পাওয়া গেছে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য।
আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় চন্দনাইশ পৌরসভার হাজির পাড়া থেকে এ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
স্বামী আরিফুল ইসলাম জিফাতের পরিবারের দাবি, আয়েশা আত্মহত্যা করেছেন । তবে ঘটনার পর থেকেই তার স্বামী জিফাত পলাতক রয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। অন্যদিকে মুক্তার পরিবারের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তাদের অভিযোগ, হত্যার পর লাশটি লাকড়ি ঘরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে যাতে একে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়া যায়।
গৃহবধূর স্বজনরা জানান, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মুক্তার স্বামী তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন এবং এ নিয়ে ইতিপূর্বে একাধিকবার সালিশ বৈঠকও হয়েছে।
এ বিষয়ে চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াস খাঁন বলেন, গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
পূর্বকোণ/কায়ছার/পারভেজ