
চট্টগ্রাম বাঁশখালী থানা পুলিশের হেফাজত থেকে হাত কড়াসহ পালিয়ে গেছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জিয়াউল হক চৌধুরী (৪৩)। স্থানীয় জনতার প্রতিরোধের মুখে পুলিশের হাত থেকে পালিয়ে যাযন। তিনি খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের দুইবার চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কদমরসূল বটতলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আওয়ামী লীগ সরকার আমলে মুস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এমপি থাকাকালীন সময়ে জিয়াউল হক চৌধুরী খানখানাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। তিনি খানক্নাবাদ ইউনিয়নের জোড়া খুনের বাঁশখালী থানার হত্যা মামলার (জি আর মামলা নং–৭৩/১৪) তালিকাভুক্ত আসামি।
জানা যায়, বাঁশখালী থানা পুলিশ দীর্ঘদিন থেকে গ্রেপ্তারের জন্য নজরদারিতে রাখে। সোমবার বিকেলে বটতলী বাজারের একটি চা-দোকানে আড্ডা দেওয়ার সময় পুলিশ ঘেরাও করে জিয়াউল হক চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে। তাকে হাতকড়া পরিয়ে পুলিশের গাড়িতে তোলার সময় এলাকায় তার অনুসারীরা সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে চিনিয়ে নেয়। এ সময় জিয়াউল হককে হাতকড়াসহ পুলিশের হেফাজত থেকে স্থানীয় জনতা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকায় অভিযান শুরু করে। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।
বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি জিয়াউল হক চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করার পর ঘটনাস্থল থেকে নিয়ে আসার পথে তার অনুসারী লোকজন পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে তিনি বলেন, অতিরিক্ত পুলিশের মাধ্যমে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার অভিযান চলছে।
পূর্বকোণ/আরআর/পারভেজ