চট্টগ্রাম রবিবার, ১৬ জুন, ২০২৪

ঘূর্ণিঝড় রেমাল দেখতে কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকের ভিড়

কক্সবাজার সংবাদদাতা

২৫ মে, ২০২৪ | ১১:২৮ অপরাহ্ণ

উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। কক্সবাজার থেকে এখন ৪৩৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আজ শনিবার (২৫ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে।

 

আগামীকাল রবিবার (২৬ মে) সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে উত্তাল ঢেউয়ের মাঝেও সমুদ্র দেখতে ভিড় জমিয়েছে স্থানীয় দর্শনার্থী ও শত শত দেশ বিদেশের পর্যটক।

 

আজ শনিবার (২৫ মে) রাত ৮টার দিকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবনী বিচ পয়েন্ট, সুগন্ধা বিচ পয়েন্ট ও কলাতলী বিচে ঘুরে দেখা যায় ঘূর্ণিঝড় রেমাল দেখতে পর্যটক ও স্থায়ীদের ভিড়। অনেক পর্যটক পাড়ে দাঁড়িয়ে দেখছেন সমুদ্র পরিস্থিতি। বিপদ বোঝাতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে টাঙানো হয়েছে লাল পতাকা। অন্যদিনের তুলনায় বাতাসের তীব্রতাও অনেক। সেই সাথে সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ বেড়েই চলেছে।

 

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম বন্দরকে ৬ নম্বর এবং মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। যার কারণে বেড়েছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ঢেউ এবং বাতাসের তীব্রতা।

 

ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে আসা পর্যটক সুমাইয়া জাফরিন বলেন, আসছি বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে। তবে হঠাৎ করে রেমাল নামের ঘূর্ণিঝড় হবে বলে শুনতে পেলাম। তাই রুমে বসে না থেকে সমুদ্রের তীব্রতা দেখতে আসলাম। ভালো লাগছে সমুদ্রের বাতাসের তীব্রতা ও গর্জন শুনতে পেরে।

 

ঘুরতে আসা স্থানীয় পর্যটক রবিউল ইসলাম বলেন, দুপুরে গোসল করছি। এখন সন্ধ্যা হয়েছে তাই বিচে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব কেমন হতে পারে সেটা দেখতে সমুদ্র পাড়ের কাছে এসেছি। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে ভালোই লাগছে। জীবনের প্রথম অনুভব করতেছি সমুদ্রের কাছ থেকে ঘূর্ণিঝড় দেখা।

 

অন্যদিকে পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে লাইফগার্ড কর্মীরা। রাতে কাউকে নামতে দিচ্ছে না সমুদ্র জলে। তারপরও অনেকেই নামছে বাধা উপেক্ষা করে।

 

 

পূর্বকোণ/এরফান/জেইউ/পারভেজ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট