চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৪

আব্বাচ আহমদ চৌধুরীর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

বিজ্ঞপ্তি

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ | ১১:২৩ অপরাহ্ণ

গত বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ছিল আলহাজ আব্বাচ আহমদ চৌধুরীর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯২৪ সালের ১ মার্চ জন্মগ্রহণকারী এই বিরল ব্যক্তিত্ব ১৯৮৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ইন্তেকাল করেন।

 

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মালেকা-আব্বাচ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে চকরিয়া সরকারি কলেজে ২০২৩ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মেধাবী ছাত্রী সানজিদা আক্তার জুলিকে নগদ ১০ দশ হাজার টাকা ও শিক্ষাবৃত্তি সনদ প্রদান করা হয়।

 

এ ছাড়াও তাঁর গ্রামের বাড়ি কৈয়ারবিল সিকদারপাড়া জামে মসজিদে খতমে কোরআন ও তদসংশ্লিষ্ট এতিমখানা, হেফজখানা ও গ্রামের মুরুব্বীদের সৌজন্যে মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয়।

 

বর্ণাঢ্য জীবনে তিনি চকরিয়া হাই স্কুল থেকে ১৯৪০ সালে মেট্রিক পরীক্ষা পাশ করেন। ১৯৪২ সালে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে আইএ ও ১৯৪৫ সালে বিএ পরীক্ষা পাশ করেন।

 

১৯৫১ সালে রাঙামাটিতে প্রথম কনট্রাক্টর হিসাবে সরকারিভাবে কাজ শুরু করেন। কাপ্তাই পানি বিদ্যুত প্রকল্পের ১ নম্বর সেক্টর, রাঙামাটি, বান্দরবন ও কক্সবাজার সার্কিট হাউস, বান্দরবন প্রাক্তন রেস্ট হাউস তৈরি উনার অমর কীর্তি। ১৯৫৩ সালে পবিত্র হজ পালন করেন।

 

একই সাথে সামাজিক কাজও করতে থাকেন। সমাজসেবায় তিনি অতুলনীয় ছিলেন। তিনি অবিভক্ত লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের (বর্তমান লক্ষ্যারচর, কৈয়ারবিল ও সাহারবিল ইউনিয়নের একাংশসহ) ১৯৫৫ সাল থেকে একাধারে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ও চেয়ারম্যান ছিলেন। তাঁর বিচার কার্যও ছিল প্রশংসনীয়। ১৯৬৩ সালে একক প্রচেষ্টায় মেধা, শ্রম, জমি ও টাকা প্রদানের মাধ্যমে কৈয়ারবিল হাই স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১৯৬৮ সালে চকরিয়া কলেজের এবং আমজাদিয়া রফিকুল উলুম সিনিয়ার মাদ্রাসার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এ ছাড়াও ১৯৬২-৬৩ সালে চকরিয়া হাই স্কুলের পরিচালনা পরিষদের সেক্রেটারি ছিলেন।

 

১৯৫৪ সালে চট্টগ্রাম জেলা বোর্ডের সদস্য পদে এবং ১৯৭০ সালে তিনি পূর্বপাকিস্থান প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করলেও তৃতীয় হন। এলাকায় তিনি ‘আব্বাচ মিঞা’ এবং সবার আশ্রয়স্থল হিসাবে মূল্যায়িত হতেন।

 

 

পূর্বকোণ/জেইউ/পারভেজ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট