চট্টগ্রাম রবিবার, ২৩ জুন, ২০২৪

প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থলে ছুটছে মানুষ

মহেশখালী সংবাদদাতা

১১ নভেম্বর, ২০২৩ | ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ

এ যেন বাঁধ ভাঙা জোয়ার। চারিদিক থেকে স্রোতের মতো ছুটে আসছে মানুষ। নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণী কেউই ঘরে নেই। এ যেন হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার বাঁশির আওয়াজে পিঁপড়ার মতো ছুটছে সবাই। মাইলের পর মাইল হেঁটে ছুটছেন তারা।

 

শনিবার (১১ নভেম্বর) দুপুরের দিকে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ বেশ কিছু উন্নয়নমূলক প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের টাউনশিপ মাঠে মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখবেন সরকার প্রধান।

 

এদিকে, জনসভাকে ঘিরে সবারই গন্তব্য মহেশখালী উপজেলার কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের টাউনশিপ মাঠ। এই মাঠে তাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসবেন। তাঁকে এক নজর দেখার জন্যে ও তাঁর বক্তব্য শুনতে মানুষের এই স্রোত।

 

চারিদিক থেকে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে পোস্টার-ব্যানার নিয়ে ছুটছে জনসভাস্থলে। সব বয়সের মানুষের গন্তব্য একই পথে। কেউ আবার ছোট বড় নৌকা নি‌য়ে মিছিল নিয়ে ছুটছে একই স্থানের উদ্দেশে। এ যেন অনন্য ভালোবাসা। এমন ভালোবাসা কোনো কিছুর বিনিময়েই পাওয়া যায় না। মহেশখালীর মানুষ বার বার তার প্রমাণ রেখেছেন।

 

তাই প্রধানমন্ত্রী জনসভাস্থলে আসার আ‌গেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে মাঠ। তিল ধারণের ঠাঁই নেই। মানুষ মাঠে স্থান না পেয়ে মাঠের বাইরে বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নিয়েছেন। তাদের সবার লক্ষ্য একটাই, শেখ হাসিনাকে এক নজর দেখা আর কথা শোনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এ অঞ্চলের মানুষের বন্ধন নতুন নয়। যুগযুগ ধরে এ অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভালোবাসার বন্ধন রয়েছে। তাই তিনি ২৮ বছর পর দ্বীতিয় বারের মতো টুঙ্গিপাড়াখ্যাত মাতারবাড়ি আসছেন। আর সেই থেকে ভালবাসার বন্ধন আরো সৃদৃঢ় হয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রী সময় পেলেই মাতারবাড়ি ছুটে আসেন এবং মহেশখালী জনগণের সঙ্গে কথা বলেন। এই বন্ধন সারাজীবন অটুট থাকুক এটাই সবার প্রত্যাশা।

পূর্বকোণ/পিআর/এএইচ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট