চট্টগ্রাম সোমবার, ২৪ জুন, ২০২৪

সর্বশেষ:

টেকনাফে নগদ টাকা-ইয়াবাসহ শীর্ষ হুন্ডি ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

টেকনাফ সংবাদদাতা

৩ নভেম্বর, ২০২৩ | ১০:০১ অপরাহ্ণ

কক্সবাজারের টেকনাফে শীর্ষ হুন্ডি ব্যবসায়ী মোহাম্মদ নূরকে (৩১) নয় লাখ ১১ হাজার ৫৬০ টাকা, ৪ হাজার ৮ শ ইয়াবা, ল্যাপটপ, বিভিন্ন ব্যাংকের চেকবইসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। র‌্যাব-১৫ টেকনাফের হ্নীলা বাজারের পশ্চিম পাশে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা কেনা-বেচার টাকা হুন্ডির মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী দেশে পাচার চক্রের এই শীর্ষ ব্যবসায়ীকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গ্রেপ্তার করে ।

 

গ্রেপ্তার মোহাম্মদ নূর হ্নীলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ওয়াব্রাং এলাকার মৃত কালা মিয়ার ছেলে।

 

শুক্রবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় র‌্যাব-১৫ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) মো. আবু সালাম চৌধুরী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ নূর নামে শীর্ষ হুন্ডি ব্যবসায়ী ও মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে ব্যক্তির দেহ ও তার দোকান তল্লাশি করে সর্বমোট চার হাজার ৮ শ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সাথে হুন্ডির মাধ্যমে পাচারের লক্ষ্যে রাখা নগদ নয় লাখ ১১ হাজার ৫৩০ টাকা, হুন্ডির কাজে ব্যবহৃত একটি এইচপি ব্রান্ডের ল্যাপটপ, দু’টি অ্যান্ড্রয়েড ও একটি বাটন মোবাইল, বিভিন্ন ব্যাংকের সর্বমোট নয়টি হিসাবের জমা বই, ৩৬টি চেকবই এবং একটি ডায়েরি জব্দ করা হয়।

 

জানা যায়, বাংলাদেশের ইয়াবা ব্যবসায়ীরা হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশের ইয়াবা ব্যবসায়ীদের টাকা পরিশোধ করে। স্থানীয় কিছু বিকাশ এজেন্ট এবং এজেন্ট ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান এই হুন্ডি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে। এর মধ্যে মো. নূর শীর্ষ পর্যায়ের হুন্ডি ব্যবসায়ী। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হুন্ডি ব্যবসায়ী ও মাদক কারবারির সাথে জড়িত বলে স্বীকার করে।

 

জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে টাকা সংগ্রহ করে সে পার্শ্ববর্তী দেশের এজেন্টের সাথে যোগাযোগ করে। পরবর্তী ওই দেশের এজেন্টরা পুনরায় বাংলাদেশের কোন একটা ব্যাংক নম্বর বা বিকাশ নম্বর প্রদান করে ওই নম্বরে মাদকের টাকা পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য বলে। এই টাকাগুলো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ হয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে প্রবেশ করে এবং গ্রেপ্তার মো. নূর এই কাজে লাখে ২-৪ শ টাকা কমিশন নিত।

 

এছাড়াও হুন্ডি ব্যবসার আড়ালে সে দীর্ঘদিন ইয়াবা পার্শ্ববর্তী সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সংগ্রহ করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রয়ের সাথে জড়িত ছিল। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

পূর্বকোণ/কাশেম/জেইউ/পারভেজ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট