চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ২৩ মে, ২০২৪

সর্বশেষ:

সরকারহাটে জমে উঠেছে পশুর বাজার

সুমন শাহ, আনোয়ারা

২০ জুন, ২০২৩ | ৬:২৭ অপরাহ্ণ

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে আগেভাগেই জমে উঠেছে দক্ষিণ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী তৈলারদ্বীপের সরকারহাট পশুর বাজার।

বাজারটিতে আনোয়ারা ছাড়াও বাঁশখালী, পটিয়া, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, কর্ণফুলী, কক্সবাজার জেলার পেকুয়াসহ চট্টগ্রাম নগর থেকে ক্রেতারা এসে কোরবানির পশু ক্রয় করে। এছাড়া পাইকারি ব্যবসায়ীরাও কোরবানের পশু কিনতে চলে আসেন এ বাজারে। বাজারে কেউ যেন প্রতারিত না হয় সেজন্য রাখা হয়েছে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গরু, ছাগলের পাশাপাশি বাজারে এসেছে প্রচুর মহিষ। বেচাকেনাও ভালো। ঈদের আগে আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এখানে কোরবানির বাজার ছাড়াও সারা বছর গরু, ছাগল বিক্রি হয়। খুচরা বিক্রেতারা সরকারহাট থেকে পশু কিনে বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রি করেন। এ হাটের পাইকারি ব্যবসায়ীরা ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গরু কিনে মজুত করে রেখেছেন। বাজারও বেশ জমে উঠেছে।

গরু ব্যবসায়ী মো. মোরশেদ বলেন, হাটে বড় ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি। এবার হাটে বেপারিরা যেসব গরু নিয়ে এসেছেন, সবগুলোই দেশি। অধিকাংশই নিজেদের খামারের গরু। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, বাঁশখালী, আনোয়ারা, বাকলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু নিয়ে এসেছেন বেপারিরা। এছাড়া কুষ্টিয়া, বগুড়া, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকেও গরু নিয়ে এসেছেন।

জানা গেছে, সারা বছর সরগরম থাকে সরকারহাট পশুর বাজার। সপ্তাহের সোম ও শুক্রবার বাজারের নির্ধারিত দিন হলেও কোরবানে সপ্তাহজুড়েই চলে পশু বেচাকেনা। কোরবানি উপলক্ষে আগে থেকেই শুরু হয়েছে এ বেচাকেনা। চলবে ঈদের দিন পর্যন্ত।

বাজারে আসা গরু বিক্রেতা বাঁচা মিয়া জানান, বাজারের পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে কোরবানি উপলক্ষে অনেক গরু বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। একেকজন পাইকারি ব্যবসায়ী দেড় থেকে দুইশ গরু এনে রেখেছেন। বিশেষ করে বাঁশখালী, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, চকরিয়া, পেকুয়ার খামারিরাও সরকার হাটে এসে গরু বিক্রি করেন।

বাজারের ইজারাদার ক্যাপ্টেন নূর মোহাম্মদ বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়ে কেউ যেন প্রতারিত না হয়, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিনও রাখা হয়েছে এ বাজারে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইশতিয়াক ইমন বলেন, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে উপজেলায় ১২টি পশুর হাট বসে। এসব হাটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতারা যেন প্রতারিত হতে না পারে, সেজন্য মোবাইল কোর্ট টহলে থাকবে।

 

পূর্বকোণ/সাফা/পারভেজ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট