চট্টগ্রাম সোমবার, ২০ মে, ২০২৪

সর্বশেষ:

১ বছর ১০ মাসের মাথায় ঘরের দেয়াল বাসিন্দাদের আতঙ্কের কারণ

দোহাজারী আশ্রয়ণ প্রকল্পের ২২ ঘরে ফাটল

মো. দেলোয়ার হোসেন, চন্দনাইশ

৭ মে, ২০২৩ | ৭:২৮ অপরাহ্ণ

সরকারের তৃতীয় পর্যায়ে ভূমিহীন পরিবারের মাঝে প্রদান করা দোহাজারী মাস্টারঘোনা আশ্রয়ণ প্রকল্পের ২২ পরিবারের ঘরে ফাটল ধরেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ২২টি ঘরের মধ্যে মো. মনিরের ৪ নং ঘর, লাকি আকতারের ৯ নং ঘর, সাজু আকতারের ১১ নং ঘর, ফেরদৌস আলমের ১২ নং ঘর, জলিলুর রহমানের ১৬ নং ঘর, মো. ইব্রাহিমের ১৮ নং ঘর ও মিনু আকতারের ১৯ নং ঘরের বিভিন্ন অংশে ফাটলের পরিমাণ বেশি ধরেছে। বাকি ঘরগুলোতে ছোট-খাটো ফাটল ধরলেও ঘরে বসবাস করতে ভয় পাচ্ছেন বাসিন্দারা।

এর মধ্যে মিনু আকতার ও সাজু আকতারের ঘরের ফাটল বড় হওয়ায় আতঙ্কে রাত কাটে তাদের। গত ২০২১ সালের ২০ জুন সরকারিভাবে তৃতীয় পর্যায়ে দোহাজারী মাস্টারঘোনা এলাকায় ২২ পরিবার এবং বৈলতলী খোদারহাট সংলগ্ন শঙ্খ নদীর পাড়ে ২৯ পরিবারসহ ৫১ পরিবারকে ঘর বিতরণ করা হয়। ১ বছর ১০ মাসের মাথায় ঘরের দেয়ালে ফাটল ধরায় বিপাকে পড়েছে ঘর পাওয়া মানুষগুলো।

ঘরে ফাটল ধরার কারণে ঘর পেয়েও বসবাস করছে না বেশ কয়েকটি পরিবার। আশ্রয়ণ প্রকল্পে ২টি ডিপ টিউবয়েল থাকলেও একটি বিকল হয়ে পড়ায় খাওয়া ও ব্যবহারের পানি পেতে বেগ পেতে হচ্ছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের। প্রকল্পের উপকারভোগী মিনু আকতার বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া ঘর পেয়ে তিনি খুবই খুশি। কিন্তু নির্মাণগত ত্রুটির কারণে ঘরে ফাটল ধরায় ছেলে-মেয়েদের নিয়ে আতঙ্কে রাত কাটে তার। সাজু আকতার বলেছেন, ঘরের ফাটলের বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করেছেন এবং তারা সংস্কার করে দিবেন বলেছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও দোহাজারী পৌর প্রশাসক মাহমুদা বেগম বলেছেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। পৌরসভা থেকে বরাদ্দ দিয়ে দ্রুত ফাটল ধরা ঘরের মেরামতের ব্যবস্থা নেবেন।

 

পূর্বকোণ/সাফা/পারভেজ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট