
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা গত ১৭ জানুয়ারি (শনিবার) অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। চুয়েট ক্যাম্পাসের পাশাপাশি চট্টগ্রামের হাজী মোহাম্মদ মহসিন কলেজ এবং চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ—এই দুটি উপকেন্দ্রেও একযোগে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়।
এ বছর চুয়েটের ৪টি অনুষদভুক্ত মোট ১২টি বিভাগে সংরক্ষিত ১১টিসহ মোট ৯৩১টি আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষার জন্য যোগ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছিলেন ১৩ হাজার ৯৪২ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষায় সশরীরে উপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ৯৯ জন শিক্ষার্থী, যা মোট আবেদনের প্রায় ৮৭ শতাংশ।
পরীক্ষাটি দুটি ভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত ছিল: ‘ক’ গ্রুপ: ইঞ্জিনিয়ারিং এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও ইংরেজি বিষয়ে ৫০০ নম্বরের বহুনির্বাচনী (MCQ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
‘খ’ গ্রুপ: ইঞ্জিনিয়ারিং ও নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের পাশাপাশি স্থাপত্য বিভাগের জন্য অতিরিক্ত ২০০ নম্বরের মুক্তহস্ত অঙ্কন পরীক্ষাসহ মোট ৭০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হয়।
ভর্তি পরীক্ষাটি সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত চলে এবং স্থাপত্য বিভাগের অঙ্কন পরীক্ষা দুপুর ১২:৪৫ থেকে ১:৪৫ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।
পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সন্তুষ্টির ছাপ লক্ষ্য করা গেছে, যদিও অনেক পরীক্ষার্থীর মতে ইংরেজি ও রসায়নের প্রশ্ন তুলনামূলক কিছুটা কঠিন ছিল। তবে চুয়েট কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা এবং সিনিয়র শিক্ষার্থীদের আন্তরিক সহযোগিতার প্রশংসা করেছেন পরীক্ষার্থীরা।
ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক কাজী দেলোয়ার হোসাইন জানিয়েছেন, চুয়েট শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং কোথাও কোনো জটিলতা দেখা দেয়নি।
ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল বা মেধাতালিকা আগামী ৩১ জানুয়ারি (শনিবার) প্রকাশ করা হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করে এই ফলাফল প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
পূর্বকোণ/এএইচসি/পারভেজ