চট্টগ্রাম বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

সর্বশেষ:

বিশ্বকাপে নিরাপত্তাহীনতায় টাইগাররা

স্পোর্টস ডেস্ক

২৩ জুন, ২০১৯ | ১:২৪ পূর্বাহ্ণ

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার পর নড়েচড়ে বসেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেসময় বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছিলেন, এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামীতে যাতে বাংলাদেশ দলের আর কোনো সফর এমন নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে অনুষ্ঠিত না হয়, সে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন তিনি। এমনকি প্রয়োজন হলে ক্রিকেটারদের সাথে থাকবে বিসিবির নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কিন্তু ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে টাইগারদের জন্য আছে নামকাওয়াস্তে নিরাপত্তা। এক শহর থেকে আরেক শহরে যাবার জন্য নেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। হোটেল থেকে টিম বাসে উঠার সময় হোটেলের সামনের জায়গায় ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয়া হয় ঠিকই। কিন্তু তা কেবল সাংবাদিকদের জন্য। সাধারণ পথচারীরা দিব্যি হেটে যায় বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের কাছ ঘেঁষে। টাইগারদের নিরাপত্তার জন্য কোন পুলিশও দেখা যায়নি টিম হোটেলের সামনে। এতে সাধারণ পথচারীরা খেলোয়াড়দের পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। আইসিসি থেকে দু’জন নিরাপত্তা লিয়াজোঁ কর্মকর্তা থাকলেও সেটি যথেষ্ট নয় বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের জন্য। ২০১৭ সালে এই ইংল্যান্ডেই হামলার শিকার হয়েছিলেন টাইগার ওপেনার তামিম ইকবাল। সেবার দ্বিতীয়বারের মত কাউন্টি ক্রিকেটে খেলতে গিয়েছিলেন তামিম। মাত্র ১ ম্যাচ খেলেই সেবার দেশে ফিরতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। যদিও তামিমের খেলার কথা ছিল ৮টি। সেবার ইংল্যান্ডে খেলার সময় তামিম ইকবাল তার স্ত্রী সন্তান নিয়ে একটি রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়েছিলেন। চট্টগ্রামের অত্যন্ত সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান তামিম ইকবালের স্ত্রীর মাথায় তখন হিজাব পরা ছিল। ঐ সময় চার পাঁচজন শ্বেতাঙ্গ যুবক রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করে তামিম ইকবাল ও তার স্ত্রীর দিকে এসিডের বোতল নিক্ষেপ করার চেষ্টা করলে ঘটনার ভয়াবহতায় তামিম কোনক্রমে ঐ অবস্থা থেকে তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দ্রুত ঐ স্থান ত্যাগ করেন। তখন তামিমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি ব্রিটিশ সরকার ও ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বোর্ড। সঙ্গে সঙ্গে তামিম এই বিষয়টি তার ক্লাব কর্তৃপক্ষকে জানান এবং স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন যে, তিনি আর ইংল্যান্ডে খেলবেন না এবং দ্রুতই দেশে ফিরে আসেন।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট