
১৯৭০ সালে বাংলাদেশের উপক‚লবর্তী অঞ্চলে গভীর রাতে আঘাত হানা এক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের প্রায় মাস তিনেক পর পত্রিকায় প্রকাশিত একটি সংবাদ সবাইকে চমকে দিয়েছিল। বরিশাল জেলার দক্ষিণে জনবিচ্ছিন্ন এক সমুদ্র-চরে এক জোড়া নারী-পুরুষকে আদিম পরিস্থিতিতে বেঁচে থাকতে দেখা যায় বলে ওই সংবাদে উল্লেখ করা হয়। দীর্ঘ তিন মাস সম্পূর্ণ যোগাযোগ-বিচ্ছিন্ন একটি সামুদ্রিক চরে এক জোড়া নারী-পুরুষের বেঁচে থাকা ও বসবাসের ঘটনাটি বেশ সাড়া জাগায়। বরণ্যে চলচ্চিত্র পরিচালক আলমগীর কবীর বিষয়টিকে মাথায় রাখেন এবং এর বছর পাঁচেক পর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবং কল্পনা মিশিয়ে ১৯৭৫ সালে নির্মাণ করেন অতি সফল বাণিজ্যিক ছায়াছবি, ‘সীমানা পেরিয়ে’। সে সময় দেশের গদবাঁধা ছায়াছবির ভিড়ে সুবাতাস বয়ে নিয়ে আসে ‘সীমানা পেরিয়ে’। দর্শক উপছে পড়ে সিনেমা হলে। ছবিটির ব্যাপারে পরিচালক আলমগীর কবীরের বক্তব্য ছিল, ‘এই চলচ্চিত্রে যৌন আকর্ষণ বা ভায়োলেন্স ছাড়া ও সমাজের উঁচু এবং নিচতলার দুটি মানুষের মধ্যে শ্রেণীগত পর্যায়ে নয়, ব্যক্তিগত পর্যায়ে কোন আন্তরিক সম্পর্ক সম্ভব কিনা এটা পর্যালোচনা করাই কার্যত এই ফান্টাসি- চলচ্চিত্রের মূল উদ্দেশ্য ছিল।’ গল্পটি এগিয়ে গেছে এইভাবে- ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ভাসতে ভাসতে এক তরুণ আর এক তরুণী এক অজানা দ্বীপে এসে পৌঁছে। এদের একজন টিনা, জমিদারের উচ্চ শিক্ষিতা সুদর্শনা নাতনি এবং আর একজন কালু, একই এলাকার গরিব অশিক্ষিত জেলে। ভয়, শঙ্কা পেরিয়ে এক সময় দুজনের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস গড়ে উঠে। ওরা জানতে পারে ওই দ্বীপে কোন মানুষ বাস করেনা। মূল ভূখণ্ডে ফিরে যাবার সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ হবার পর শুরু হয় দুজনের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। এই বেঁচে থাকার সংগ্রামকে নিয়েই গল্প এগিয়ে যায়। এক পর্যায়ে টিনা প্রকৃতিকে সাক্ষী রেখে মালাবদল করে কালুর সাথে।
এভাবে প্রায় তিন মাস পার হয়ে যায়। গর্ভবতী হয় টিনা। ওরা স্বপ্ন দেখে এই চরেই নুতন জীবন শুরু করবে, ফিরে যাবেনা মূল ভূখণ্ডে, কেননা সেখানে সমাজ তাদের এই অসম-সম্পর্ক মেনে নেবেনা। কিন্তু নৌ-বাহিনীর একটি জাহাজ তাদের সন্ধান পায়। ইচ্ছের বিরুদ্ধে তাদের ফিরে যেতে হয় মূল ভূখণ্ডে। ফিরে গিয়ে দেখতে পায় সভ্য সমাজ তাদের গ্রহণ করতে প্রস্তুত নয়। সমাজের বিধিনিষেধ থেকে বাঁচতে ওরা আবার রওনা দেয় ফেলে আসা চরের উদ্দেশ্যে। সেখানেই কাহিনীর শেষ। বলাবাহুল্য, ছবিটি দারুন হিট হয়েছিল। ১৯৭৭ সালে ছবিটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ট অভিনেতা সহ মোট চারটি বিভাগে পুরস্কার লাভ করে। এর বাইরে ছবিটি বৃটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের ‘বাংলাদেশের সেরা ১০টি চলচ্চিত্র’ তালিকায় স্থান পায়। তবে সব ছাড়িয়ে যিনি সবার সবার দৃষ্টি আকর্ষণ ও প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন তিনি হলেন ১৯৬৮ সালের ‘মিস ক্যালকাটা’, নায়িকা জয়শ্রী কবীর। তরুন শ্রেণীর কাছে তিনি রাতারাতি হয়ে উঠেন ‘ক্রেজ’। জয়শ্রী কবীর তার অপার সৌন্দর্য, অভিনয়, চাহনি, কথা-বলার স্টাইল দিয়ে গোটা বাংলাদেশের সিমেনা দর্শকদের হৃদয় কেড়ে নিয়েছিলেন। বিশ্বনন্দিত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের হাত ধরে ‘প্রতিদ্ব›দ্বী’ (১৯৭১) ছায়াছবিতে অভিনয়ের মধ্যে দিয়ে তার রূপালী পর্দায় অভিষেক ঘটলেও, একথা নির্ধিদ্বায় বলা যায় বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা পূর্ণতা লাভ করে।
২) আমার সৌভাগ্য হয়েছিল এই প্রতিভাবান ও জনপ্রিয় নায়িকা জয়শ্রী কবীরকে অতি কাছ দেখার, তার সাথে বার কয়েক সাক্ষাৎ ও ঘরোয়া পরিবেশে গল্প করার। হল্যান্ড এবং লন্ডনে। প্রথম সাক্ষাৎ ২০০৫ সালে। ওই বছর হল্যান্ডের একমাত্র ও প্রথম অভিবাসী সংগঠন ‘বাসুগ’-এর আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান বেশ জাঁকজমকভাবে বন্দরনগরী রটরডামের এক বড়সড় হলে আয়োজন করা হয়েছিল। উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে হল্যান্ডের বিভিন্ন শহর ছাড়াও বেলজিয়াম ও জার্মানি থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনেকেই এসেছিলেন সেই অনুষ্ঠানে। এর বাইরে এসেছিলেন স্থানীয় ডাচ ও বিদেশি কয়েকটি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা। উপস্থিত ছিলেন হল্যান্ডের তিনটি দাতা সংস্থার কর্মকর্তারা। বাংলাদেশি দর্শকের ভিড়ের কারণ- যে সময়কার কথা বলছি তখন এদেশে বাঙালিদের অনুষ্ঠানাদি, বিশেষ করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান খুব একটা হতোনা। তার উপর বাড়তি আকর্ষণ ছিলেন অভিনেত্রী জয়শ্রী কবীর। পাশাপাশি প্যারিস থেকে এসেছেন বাংলাদেশের মাইম আর্টের পথিকৃৎ, বন্ধু পার্থ প্রতিম মজুমদার। উনি প্রদর্শন করেছিলেন তার আর্ট। যখনকার কথা বলছি তখন জয়শ্রী কবীর দেশ ছেড়ে লন্ডনের স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তার সাথে ই-মেইল ও ফোনে যোগাযোগ করে অনুষ্ঠানে আসার জন্যে আমন্ত্রণ জানালে তিনি কোন দ্বিধা না করেই সম্মতি দেন। জানতে চান আমাদের সংগঠনের কাজ কী, কাদের নিয়ে কাজ করছি বা করতে চাই ইত্যাদি ইত্যাদি। ঠিক হলো উনি এসে পৌঁছুবেন আমস্টারডামের শিফল বিমানবন্দরে। নির্দিষ্ট সময়ে বাসুগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বিকাশ রায়কে সাথে নিয়ে এয়ারপোর্টে পৌঁছে অপেক্ষা করি তার জন্যে। ক্ষণিক বাদে দেখি জয়শ্রী রায়, পরনে পায়জামার মত ঢোলা প্যান্ট আর ফতুয়া টাইপের টপ গায়ে, হাতে একটি কেবিন ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে আসছেন। তাকে না-চেনার কোন কারণ নেই। তাকে কে না চেনে। তিনিও আমাদের চিনে নিতে পারলেন। কুশল বিনিময়ের পর আমরা তিনজন পাশাপাশি এগিয়ে চলি দোতলায় পার্কিং প্লেসের দিকে। এয়ারপোর্ট থেকে আনুমানিক ৪৫ কিলোমিটার দূরে আমার বাসা। যখন পৌঁছি তখন রাত প্রায় সাড়ে নটা/দশ। ডিনার সেরে তাকে যেতে হবে আমার বাসার অনতিদূরে বেল এয়ার হোটেলে, বর্তমানে ‘ম্যারিয়ট হোটেল’। ডাচ প্রধান মন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের ঠিক উল্টো দিকে রাস্তা পেরিয়ে এই চমৎকার হোটেল। সেখানেই তার জন্য থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এয়ারপোর্ট থেকে বাসার পথে সামনের সীটে বসে তিনি অনেক গল্প করতে থাকেন। মনেই হচ্ছিলনা এই প্রথম সম্মুখ সাক্ষাৎ। কী নিয়ে আলাপ হয়েছিল তার সব কিছু ২০ বছর পর মনে নেই। কিছু তার ব্যক্তিগত বিষয়, কিছু পেশাগত, কিছু আমাদের অনুষ্ঠানকে নিয়ে। তখন এই ভেবে ভালো লাগছিল যে যার অভিনয় দেখে আমরা তরুণরা পাগল হয়েছিলাম, তিনি আমার পাশে বসে আছেন। যেন এখনো অবিকল ‘সীমানা পেরিয়ে’-র সৌন্দর্য্য নিয়ে কথা বলে চলেছেন।
৩) পরদিন সকালে রটরডামে অনুষ্ঠান। ইতিমধ্যে প্যারিস থেকে এসে পৌঁছেছেন বাংলাদেশের মূকাভিনেতা সম্রাট, পার্থ প্রতিম মজুমদার। অভিনয় করাকালীন তিনি থাকেন ‘মূক’। কিন্তু অভিনয়ের বাইরে কথা বলেন প্রচুর। একেবারে উল্টো মেরু। সহজে অচেনাকে বন্ধু করে নেবার বড় গুন তার। আমার নিচ তলার ড্রয়িং রুমকে তিনি তার অভিনয়ের রিহের্সাল রুম বানিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। তার থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বাসুগের আর এক অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, ইঞ্জিনিয়ার পুস্পক বড়–য়ার বাসায়। পার্থ মজুমদারের সাথে জয়শ্রী কবীরের আগ থেকে ভালো পরিচয় ও জানাশোনা। অনুষ্ঠান শেষে রাতে জয়শ্রী কবীরকে ঘিরে আমার বাসায় কাছের কয়েক বন্ধুদের নিয়ে দীর্ঘ আড্ডা জমে উঠেছিল। তিনি এতো বড় মাপের শিল্পী, এতো জনপ্রিয়, কিন্তু দুদিনের আলাপ, আড্ডায় মনে হয়েছে তিনি আমাদেরই লোক। কোনো অহংকার নেই, কোন চাওয়া নেই। অনুষ্ঠানে তিনি যখন ইংরেজিতে তার বক্তব্য রাখছিলেন, উপস্থিত দর্শক-শ্রোতা মন্ত্রমুগ্ধের মত শুনছিলেন। অনুষ্ঠানে বিদেশী অতিথি থাকায় তিনি ইংরেজিতে তার বক্তব্য রেখেছিলেন। কলকাতার মেয়ে জয়শ্রী রায় সাউথ পয়েন্ট স্কুলে পড়াশুনা করেছিলেন, চমৎকার ইংরেজি বলেন। বলেন চমৎকার বাংলা। তিনি যখন তার বক্তব্য রাখছিলেন তখন পেছনে বড় পর্দায় অতি লো-ভলিউমে বেজে চলেছিল- ‘বিমূর্ত এই রাত্রি যেন মৌনতার সুঁতোয় বোনা, একটি রঙিন চাঁদর/ সেই চাঁদরের ভাঁজে ভাঁজে নিঃশ্বাসেরই ছোঁয়া/ আছে ভালোবাসার আদর।’ অমর সংগীত শিল্পী ভুপেন হাজারিকার সুরে হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া এই গানটি গেয়েছিলেন আবিদা সুলতানা। অনেকের মতো এই গানটি আমার অত্যন্ত প্রিয়। চোখ বন্ধ করে গানটি যখন শুনি তখন যেন ঘুরে বেড়াই জনমানবহীন সভ্যতা থেকে অনেক দূরের একটি দ্বীপে, যেখানে আর কেউ নেই, কেবল দুটি প্রাণী- একটি নর, আর একটি নারী। সামনে সমুদ্রের ঢেউ, সেই ঢেউয়ে খেলা করে চাঁদের আলো। মনকাড়া গান, সুরের মূর্ছনা, সাগরের জলে জোৎস্নার খেলা, তারই মাঝে অপরূপ সৌন্দর্য্য নিয়ে জয়শ্রীর অপূর্ব অভিনয় – এখনো টানে যেমনটি টানতো সেই বিশ্ববিদ্যালয় পড়াকালীন বয়সে।
খুব খুশি হয়েছিলেন জয়শ্রী কবীর চলচ্চিত্র থেকে সম্পূর্ণ অবসর নিয়ে অনেক দিন পর এমন একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সম্মানিত হতে পেরে। আমাদের জন্যে সুখের বিষয় যে তিনি ‘বাসুগের’ জন্যে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন। রটরডামের অনুষ্ঠানের কিছুদিন পর তাকে আমরা আনুষ্ঠানিক ভাবে বাসুগের ‘গুডউইল অ্যাম্বাসেডর’ করলে তিনি তা সাগ্রহে গ্রহণ করেন। লন্ডন ফিরে যাবার পর মাঝে মধ্যে তার সাথে ফোনে কথা হতো। তিনি আমাদের কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইতেন। তাকে বলতাম, ‘জয়শ্রীদি কিছুক্ষণ আগে শুনছিলাম ‘বিমূর্ত এই রাত্রি যেন..‘আপনাকে দেখছিলাম, আর মুগ্ধ হচ্ছিলাম।’ উনি একটু হাসতেন। টের পাই তিনি খুশি হতেন। প্রশংসা কার না ভালো লাগে। হোক না তিনি অনেক বড় শিল্পী। এর কয়েক বছর পর তার সাথে দেখা লন্ডনের এক অনুষ্ঠানে। তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। তিনি বললেন, আসবো। তিনি এসেছিলেন। তখন অনেক বদলে গেছেন, শরীর অনেকটা ভেঙে গেছে, কিছুটা অসুস্থ। মানসিক সমস্যায়ও ভুগছিলেন। তারপরও তিনি এসেছিলেন। ছিলেন অনেকক্ষণ। তবে অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তার সাথে আড্ডা দেয়া হয়ে উঠেনি। সেই ছিল তার সাথে শেষ দেখা। এরপর আর দেখা হয়নি। আগে মাঝেমধ্যে ফোনে যে যোগাযোগ হতো তাও কমে গেছে। তিনিও ততদিনে নিজেকে নিজের মাঝে গুটিয়ে নিয়েছেন। চলচ্চিত্র ছেড়ে দীর্ঘদিন ধরে লন্ডনে স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন জয়শ্রী কবির। সেখানে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইংরেজি পড়াতেন বলে জেনেছি। প্রায় এক দশক আগে তিনি শেষবারের মতো ঢাকা ভ্রমণে গিয়েছিলেন বলে পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে জানতে পারি।এরপর আর তাকে বাংলাদেশে দেখা যায়নি।
‘সীমানা পেরিয়ে’ ছাড়াও জয়শ্রী কবীর অভিনীত যে কটি ছায়াছবি দর্শকের হৃদয় ছুঁয়েছে তার মধ্যে অন্যতম ‘সূর্যকন্যা’ (১৯৭৫), ‘রূপালী সৈকতে’ (১৯৭৯), ‘দেনা পাওনা’ (১৯৮১), ‘মোহনা’ (১৯৮২), ‘নালিশ’ (১৯৮২), ‘পুরস্কার’ (১৯৮৩) ও ‘শহর থেকে দূরে’ (১৯৮৪), রোদনভরা বসন্ত (১৯৭৪), সব্যসাচী (১৯৭৭), অসাধারণ (১৯৮২) ও পুরস্কার (১৯৮৩)। বাংলাদেশ ও পশ্চিম বাংলায় তিনি প্রায় ৩০টির মত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। একমাত্র সন্তান লেলিন সৌরভ কবীরকে নিয়ে কাটছিল তার প্রবাস জীবন। ১৯৭৫ সালে নির্মাতা আলমগীর কবিরের সাথে বিয়ের পর জয়শ্রী রায় হন, জয়শ্রী কবীর। কিন্তু বেশিদিন টেকেনি সেই দাম্পত্য জীবন। তিন বছরের মাথায় তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরে এবং ১৯৮৯ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে, আলমগীর কবীরের মৃত্যুর কিছুদিন আগে। বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় ও গুণী অভিনেত্রী জয়শ্রী কবীর গেলো ১২ জানুয়ারি (২০২৬) ৭৩ বছর বয়সে লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন, রেখে যান একটি অধ্যায়, অগুনিত ভক্ত। শিল্পী জয়শ্রী কবীরের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা। (১৯-০১-২০২৬)
লেখক: হল্যান্ডপ্রবাসী সাংবাদিক, কলামিস্ট ও সাহিত্যিক।
পূর্বকোণ/ইবনুর