
কোভিড মোকাবিলায় ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে এ পর্যন্ত ভ্যাকসিনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম আমদানি ও কেনাকাটায় ৪ হাজার ৬৮৫ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার ২৯৭ টাকা বরাদ্দ দেওয়ার তথ্য জাতীয় সংসদে দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
তিনি বলেছেন, ভ্যাকসিন কেনাকাটায় অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যব্স্থা নেওয়া হবে।
সংসদে ফেনী-২ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের টেবিলে উত্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
জয়নাল আবদিন জানতে চান, কোভিড মহামারীর সময় সরকার ভ্যাকসিনসহ বিভিন্ন করোনা সরঞ্জাম আমদানি ও কেনাকাটায় কত টাকা বরাদ্দ ও ব্যয় করেছে এবং ভ্যাকসিন আমদানিতে কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে কী না।
জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ২০২০-২১ হতে এ যাবৎ করোনা ভাইরাস মৌসুমে মহামারী মোকাবিলায় সরকার কর্তৃক ভ্যাকসিনসহ করোনা সরঞ্জাম আমদানি ও কেনাকাটায় চার হাজার ছয়শ পঁচাশি কোটি ২২ লক্ষ ২ হাজার ২৯৭ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল।’
সংসদে দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, এই বরাদ্দ থেকে ভ্যাকসিন ক্রয়ে ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা। সিরিঞ্জ কিনতে ব্যয় হয়েছে ৩০ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ভ্যাকসিন ও সিরিঞ্জ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে দিতে পরিবহন ব্যয় হয়েছে ১৯ কোটি ৫৭ লাখ ৩ হাজার ৩৫৪ টাকা। এ ছাড়া সিরিঞ্জ শিপিং চার্জ বাবদ ৯৯ লাখ ৭৮ হাজার ৯৮০ টাকা খরচ হয়েছে।
ভ্যাকসিন ক্রয় নিয়ে অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগের প্রশ্নে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভ্যাকসিন ক্রয় সংক্রান্ত বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিকট কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’
তবে সরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
এ সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা অভিযোগ পেলে তা যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
পূর্বকোণ/পিআর