চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সর্বশেষ:

ডলার

রিজার্ভ পৌঁছালো ৩৪ বিলিয়ন ডলারে

অনলাইন ডেস্ক

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ১০:০২ অপরাহ্ণ

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৪ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলারের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

আইএমএফের নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে রিজার্ভ বর্তমানে প্রায় ২৯ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত ২ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ ৩৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারে ছিল। এর আগে ১৫ জানুয়ারি তা ৩২ দশমিক ৩২ বিলিয়ন এবং ৮ জানুয়ারি ৩২ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলারে অবস্থান করেছিল। তবে আকুর দায় (১.৫৩ বিলিয়ন ডলার) পরিশোধের পর কিছুটা হ্রাস ঘটে।

 

রেমিট্যান্সই মূল চালিকা শক্তি

রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে প্রবাসীরা দেশে তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। চলতি ফেব্রুয়ারিতেও প্রবাসী আয় অব্যাহত রয়েছে। মাসের প্রথম সাতদিনে দেশে এসেছে ৭৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ৯ হাজার ৬৭৪ কোটি ৬০ লাখ টাকার সমান। এটি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা প্রায় ১,৬৮৪ কোটি টাকা বেশি।

 

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে এসেছে ২০,২২৬ মিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১.৭ শতাংশ বেশি। জানুয়ারি মাসে পুরো মাসে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ৩.১৭ বিলিয়ন ডলার।

 

ঐতিহাসিক রেকর্ড ও বর্তমান পরিস্থিতি

দেশের ইতিহাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল ২০২১ সালের আগস্টে। তবে অনিয়ন্ত্রিত অর্থপাচার ও অন্যান্য কারণে রিজার্ভ ক্রমশ কমে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। নতুন গভর্নরের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে রিজার্ভ থেকে এক ডলারও বিক্রি করা হয়নি। ডলারের বিনিময় হার ১২২ টাকার আশপাশে স্থিতিশীল রয়েছে। আমদানিতে ৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি থাকা সত্ত্বেও বাজারে ডলার সংকট বা হাহাকার নেই।

 

পূর্বকোণ/আরআর/পারভেজ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট