
রাজধানীর বাড্ডায় ঢাকা-১১ আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নির্বাচনি জনসভায় যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ ১১দলের সিনিয়র নেতারা।
আজ রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে সকাল ৯টায় ১১ দলীয় ঐক্যের এই নির্বাচনি জনসভা শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ভরে ওঠে নেতাকর্মীদের ভিড়ে।
সকাল ১০টার কিছু পরে জামায়াত আমির এবং সাড়ে ১০টায় খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক জনসভায় যোগ দেন।
নির্বাচনের প্রচারণা শুরুর পর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে বেড়ানোর পাশাপাশি, জামায়াত আমির নির্বাচনি জনসভা করেন ঢাকার বিভিন্ন আসনেও।
এসব সভা থেকে পরিচয় করিয়ে দেন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থিদের। সেইসঙ্গে সরকার গঠন করতে পারলে তাদের কার্যক্রম কি হবে, সেসব প্রতিশ্রুতিও দেন জামায়াতে আমির ডা. শফিকুর রহমান।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আরও ঘোষণা দেন ক্ষমতায় গেলে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী বানানো হবে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে জামায়াতে ইসলামী যদি সরকার গঠন করতে পারে তবে এই দলের নেতৃত্বাধীন জোটসঙ্গী নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী বানানো হবে। নাহিদদের বিমানের সামনে ককপিটে রেখে পেছনে থাকবে জোটের নেতারা। জামায়াত জোট কোনও ভুলভাল আশ্বাস দেবে না। যা আছে তাই দিয়ে দেশ গড়বে।”
বাড্ডায় ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে নাহিদ ইসলামের সমর্থনে ১১ দলীয় জোটের জনসভায় তিনি আরও বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ আধিপত্যবাদের গোলামকে লালকার্ড দেখাবে। বিএনপির নাটে–ঘাটে সব কার্ড ভুয়া। এই কার্ডকে ১২ তারিখ জনগণ লাল কার্ড দেখাবে।”
জামায়াতের আমির বলেন, “৪৭ ও ৭১–এ জাতির আকাঙক্ষা পূরণ হয়নি। ২৪–এ সাধারণ দাবিকে দমন করতে গিয়ে জুলাই–আগস্ট ঘটে। ৫ আগস্ট আওয়ামী জাহেলিয়াত থেকে জাতি মুক্তি পায়। কিন্তু ৬ আগস্ট থেকে জাতির ওপর আরেক জালেম চড়াও হয়েছে।”
পূর্বকোণ/সিজান