
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, গত ১৭/১৮ বছরের ত্যাগের প্রতিদান দিতে হবে আগামী ১২ তারিখের ভোটের মাধ্যমে। মনে রাখতে হবে বিএনপি হচ্ছে দেশের গণতন্ত্রের ধারক ও বাহক। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রাম করে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন। বিএনপি কখনো গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপস করেনি।
তিনি গত ৭ ফেব্রুয়ারি ফটিকছড়ি সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত বিএনপির এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, মানুষের সাংবিধানিক অধিকার ও দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আসন্ন ১২ তারিখের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে ধানের শীষের কোনো বিকল্প নেই। একটি নির্বাচিত ও জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন করাই বিএনপির আন্দোলনের মূল লক্ষ্য।
দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপি একটি শিক্ষিত ও মেধাবী জাতি গঠন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করতে চায়। তিনি তারেক রহমানের “অর্থনৈতিক গণতন্ত্রের” ধারণা ব্যাখ্যা করে বলেন, এর মাধ্যমে অর্থনীতির সুফল কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর হাতে না থেকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবে এবং দেশে লুটপাটের রাজনীতির অবসান ঘটবে।
তিনি আরও আশ্বস্ত করেন যে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপের সুযোগ দেওয়া হবে না।
ফটিকছড়ি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফটিকছড়ির সুনির্দিষ্ট সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এটিকে একটি সমৃদ্ধ উপজেলায় রূপান্তর করা হবে।
জনসভায় ফটিকছড়ি আসনের বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর সমৃদ্ধ ফটিকছড়ি গড়তে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ ছালাউদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং নাজিম উদ্দীন শাহীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক এমপি নুরী আরা ছাফা এবং কেন্দ্রীয় বিএনপি সদস্য ও সাবেক বিচারপতি ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী। এছাড়া মির্জা মো. আকবর, মোবারক হোসেন কাঞ্চন, আহমেদ হোসেন তালুকদার, মিহির চক্রবর্তী, সৈয়দ ওমর ফারুক মাইজভান্ডারি, জহির আজম চৌধুরী, নুরুল হুদা চৌধুরী, মো. এজহার, আবু জাফর মাহমুদ, আবুল কালাম আজাদ, মুনসুর আলম চৌধুরী, শহিদুল আজম চেয়ারম্যান, জাহাঙ্গীর আলম চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রদান করেন।
পূর্বকোণ/সিজান/পারভেজ