
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে সম্প্রতি নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, যার ফলে ৫ জন স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন এবং অন্তত ১১০ জনকে সতর্কতামূলকভাবে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে । এই ভাইরাসটি মূলত শূকর ও বাদুড় থেকে মানুষের শরীরে ছড়ায় এবং এটি সংক্রামিত খাবার বা আক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমেও ছড়াতে পারে। নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্তদের মৃত্যুর হার ৪০ থেকে ৭০ শতাংশ, অথচ বর্তমানে এর কোনো নির্দিষ্ট ভ্যাকসিন বা ওষুধ নেই ।
উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় থাইল্যান্ড এবং নেপালের বিমানবন্দরে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসা যাত্রীদের জন্য কঠোর স্ক্রিনিং ও নজরদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে । বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এই ভাইরাসটিকে এমন ১০টি রোগের তালিকায় রেখেছে যা ভবিষ্যতে মহামারিতে রূপ নিতে পারে।
নিপাহর প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, পেশী ব্যথা, বমি ও গলা ব্যথা। অবস্থা গুরুতর হলে রোগী নিউমোনিয়া বা এনসেফালাইটিসে আক্রান্ত হতে পারেন, যা মস্তিষ্কে প্রদাহ সৃষ্টি করে। ১৯৯৮ সালে মালয়েশিয়ার শূকর খামারিদের মধ্যে প্রথম এই ভাইরাস শনাক্ত হয় এবং যে গ্রামে এটি পাওয়া গিয়েছিল, তার নামানুসারেই এর নামকরণ করা হয়েছে।
পূর্বকোণ/কায়ছার/পারভেজ