
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি প্রথম দিনের মতো শেষ হয়েছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে শুনানি চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। শুনানির প্রথম দিনে মোট ৭০ প্রার্থীর আপিল নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে মঞ্জুর হয়েছে ৫২ জনের। আর না মঞ্জুর হয়েছে ১৫ জন প্রার্থীর আপিল। এছাড়া তিনজন প্রার্থীর আপিল আবেদন বিবেচনাধীন রেখেছে কমিশন।
প্রথম দিনের শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এসব তথ্য জানান।
এদিন আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে শুনানি নেয় ইসি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে শুনানিতে অন্য নির্বাচন কমিশনাররাও অংশ নিয়েছেন।
আখতার আহমেদ বলেন, “ইসির নিষ্পত্তি করা ৭০টি আপিলের মধ্যে ৫২ আপিল মঞ্জুর হয়েছে। ১৫ প্রার্থীর আপিল না মঞ্জুর করেছে কমিশন। এছাড়া তিন প্রার্থীর আপিল আবেদন বিবেচনাধীন রেখেছে কমিশন।”
ইসি সূত্রে জানা যায়, আবেদন মঞ্জুর হওয়া ৫২ প্রার্থীর মধ্যে ৫১ জন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। আরেক প্রার্থীর আবেদনের প্রেক্ষিতে একজনের প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করা হয়। প্রার্থিতা বাতিল হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের এক প্রার্থীর।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একইদিন অনুষ্ঠিত হবে গণভোটও। এ লক্ষ্যেই সম্ভাব্য প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এক হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৭২৩টি বাতিল ঘোষণা করা হয়। রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়ে।
আজ সকাল ১০টা থেকে ইসিতে শুরু হওয়া আপিল শুনানি চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। আজ ১ থেকে ৭০ নম্বর আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামীকাল রবিবার ৭১ থেকে ১৪০ নম্বর আপিল, সোমবার ১৪১ থেকে ২১০ নম্বর আপিল এবং মঙ্গলবার ২১১ থেকে ২৮০ নম্বর আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
তফসিল অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।
পূর্বকোণ/এএইচসি/পারভেজ