
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১১ জানুয়ারি থেকে উত্তরবঙ্গ সফর শুরু করছেন।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের কবর জিয়ারত এবং দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তিনি এই চার দিনের সফরসূচি ঘোষণা করেছেন।
ইতিমধ্যে বিএনপির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের এই সফরের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ঢাকা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধা, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে জানানো হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিহত জুলাই যোদ্ধা ও দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের কবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
এতে আরও জানানো হয়, সফরটি সম্পূর্ণভাবে ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচির অংশ এবং বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক জারিকৃত আচরণবিধি কোনোভাবেই লঙ্ঘন করা হবে না। এ উপলক্ষে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাসহ সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
সফরসূচিতে যা আছে:
১১ জানুয়ারি: ঢাকা, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ হয়ে বগুড়ায় রাতযাপন।
১২ জানুয়ারি: বগুড়া, রংপুর (পীরগঞ্জ), দিনাজপুর হয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে রাতযাপন।
১৩ জানুয়ারি: ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট হয়ে রংপুরে রাতযাপন।
১৪ জানুয়ারি: রংপুর, বগুড়া (গাবতলী) হয়ে ঢাকায় প্রত্যাবর্তন।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ আবু সাঈদ, মরহুমা তৈয়বা মজুমদারসহ নিহত জুলাই যোদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিল, আহত জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ।
এ বিষয়ে সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছেন ক্যাপ্টেন (অব.) গণিউল আজম, পরিচালক (সমন্বয়)।
পূর্বকোণ/এএইচ