
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের প্রার্থী ও এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।
তিনি বলেন, “প্রশাসন মনে হয় বিএনপির দিকে ঝুঁকে গিয়েছে। প্রশাসনের যে দ্বিচারিতামূলক আচরণ, তাতে নিরপেক্ষ সুষ্ঠু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কতটা হতে পারে-সেটি নিয়ে আমরা শঙ্কা প্রকাশ করছি।”
শুক্রবার কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমাদের একজন প্রার্থী ব্যাংক ডিফল্টার, তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়েও শোধ করেননি। তিনি এই তথ্যটি গোপন করেছেন এবং হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ গোপন করেছেন, এটি ব্যক্তিগত তথ্য গোপনের পর্যায়ে পড়ে।
“নির্বাচনী বিধিমালায় স্পষ্ট উল্লেখ আছে, যদি কোনো প্রার্থী চাহিদা মোতাবেক তাদের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন করে- তাহলে তার প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রয়েছে। প্রশাসনের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণ ও যুক্তি উপস্থাপন করার পরও, সেখানে প্রশাসন কতটা নিরপেক্ষ আচরণ করতে পেরেছে তা প্রশ্নবিদ্ধ।”
তিনি বলেন, “আমরা প্রত্যাশা করি কিন্তু মনে হয় প্রশাসন বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে। সহজ কথা। ”
এর আগে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে হাসনাত আবদুল্লাহ ও তার আইনজীবী ওই আসনের বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী হলফনামায় তথ্য গোপন করেছেন বলে অভিযোগ তুলেন।
এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে অন্তত আধা ঘণ্টা বাহাস হয় এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান তাদেরকে নিয়মানুযায়ী আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অভিযোগ করতে বলেন। তবে যাচাই বাছাই শেষে দুই জনেরই মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এবং হাসনাত আব্দুল্লাহ ও মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী দুইজন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
পূর্বকোণ/আরআর