চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০২৪

সর্বশেষ:

আটকে রাখার ‘গোপন স্থানের’ তালিকা চায় জাতিসংঘ

অনলাইন ডেস্ক

১৩ নভেম্বর, ২০২৩ | ১১:০৮ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের মানবাধিকার প্রসঙ্গে সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘আটকে রাখার ‘গোপন স্থানের’ তালিকা চায় জাতিসংঘ’ প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে সোমবার বাংলাদেশের মানবাধিকার রেকর্ড পর্যালোচনা করা হবে। বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী আটক অনেক ব্যক্তিকে গোপন স্থানে রেখে নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে সরকার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা অস্বীকার করেছে।

রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের এমন অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুমের মতো ঘটনা নিয়ে আগেই উদ্বেগ জানিয়েছিল জাতিসংঘ। তুলে নিয়ে যেসব স্থানে ভুক্তভোগীদের ‘গোপনে আটকে রাখা হয়’, এখন সেগুলোর তালিকা প্রকাশ করতে সরকারের কাছে সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।

সেই সঙ্গে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ স্বাধীন সংস্থা দিয়ে নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ তদন্ত করার পাশাপাশি দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে সুপারিশ করা হয়েছে। সেইসাথে ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দিতে একটি কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে, যাতে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।

আইনে এমন ধারা যুক্ত করতে বলা হয়েছে, যাতে গুম রোধ করা যায়। সেই সঙ্গে নিরাপত্তা খাতের সংস্কার চেয়েছে জাতিসংঘ।বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর ডাকা চতুর্থ দফার অবরোধের প্রথম দিনের পরিস্থিতি নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘অবরোধে অচল সারা দেশ’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অবরোধের প্রথম দিনে দেশটির দূরপাল্লার বাস চলাচল ও নৌ চলাচলে এক ধরনের অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা থেকে দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। একইভাবে অন্যান্য স্থান থেকে ঢাকায় দূরপাল্লার বাস পোঁছেনি। নৌপথে লঞ্চগুলোতে ছিল যাত্রীস্বল্পতা। ফলে বেশির ভাগ লঞ্চ ছিল ঘাটে নোঙর করা।

এ ছাড়া অবরোধে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সড়কে অন্তত ১৬টি বাসে আগুন দেয়া হয়েছে। চট্টগ্রামে ধরপাকড় উপেক্ষা করে অবরোধ পালন করছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। সিলেট ও বগুড়ায় মহাসড়কে বাঁশ ও গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

অবরোধকে কেন্দ্র করে গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে বিএনপি ও সমমনা দলের ৩৬৫ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার এবং পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পালাতে গিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিক বিক্ষোভ নিয়ে মানবজমিনের প্রধান খবর, ‘নিরাপত্তা চায় বিজিএমইএ, ক্রেতাদের উদ্বেগ, নতুন অর্ডার দিচ্ছে না, ১৩০টি পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, তৈরি পোশাক খাতে চলমান অস্থিরতায় কর্মচারী ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কারখানার সম্পত্তি রক্ষার স্বার্থে ১৩০টি পোশাক কারখানার সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।

এ নিয়ে বিদেশি ক্রেতারা উদ্বিগ্ন এবং তারা আপাতত নতুন অর্ডার দিচ্ছে না। এজন্য নতুন নিয়োগ বন্ধ রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাকের দরপতন শুরু হয়েছে, যেটা শিল্পের জন্য নতুন শঙ্কা তৈরি করছে।

রোববার উত্তরায় বিজিএমইএ অফিসে ‘পোশাক শিল্পে ন্যূনতম মজুরি ও বর্তমান শ্রম পরিস্থিতি’ বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘ মজুরি বৃদ্ধির পরও আন্দোলনের নামে বিভিন্ন জায়গায় কারখানা ভাঙচুর করা হচ্ছে। ’

এমন অবস্থায় তিনি সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেছেন, পোশাক শিল্পখাত নিয়ে যারা চক্রান্ত করছে, তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিন। সেই সঙ্গে শিল্প-কারখানা চালানোর জন্য আমাদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিন।

এদিকে শ্রমিক বিক্ষোভে আহত চিকিৎসাধীন এক শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘Was shooting at them the only option?‘ অর্থাৎ ‘তাদের উপর গুলি চালানোই কি একমাত্র উপায় ছিল?’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত আটই নভেম্বর বেতন বৃদ্ধি নিয়ে শ্রমিকদের বিক্ষোভের সময় গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষে এক তৈরি পোশাক শ্রমিক গুলিতে আহত হয়েছিলেন।

রবিবার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ভুক্তভোগীর নাম জালাল উদ্দিন বলে খবর প্রকাশ হয়েছে।

এ নিয়ে সাম্প্রতিক তৈরি পোশাক শিল্পে চলমান অসন্তোষে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার জনে। জালাল উদ্দিনের স্ত্রী নার্গিস পারভিন পুলিশের এই গুলি ছোড়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ‘কেন তারা [পুলিশ] গুলি করেছিল? তারা কি অন্য কোনো উপায়ে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে পারতো না?

“তারা যে বন্দুক ব্যবহার করেছে এর আঘাতে আমার স্বামীর পেট ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়!” ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে স্তব্ধ ও বিভ্রান্ত হয়ে বসে থাকা নার্গিস ক্রন্দনরত অবস্থায় এসব কথা বলেন।

নির্বাচন ঘিরে আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘নির্বাচনে সঙ্গী খুঁজতে এখনো ব্যস্ত আওয়ামী লীগ’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিএনপিবিহীন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেশি বেশি দলকে ভোটের মাঠে নামানোর কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। তবে তাতে এখনো কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হয়নি।

সংবিধান মেনে ও যথাসময়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যাপারে অনড় আওয়ামী লীগ। তবে এই নির্বাচনী যাত্রায় আওয়ামী লীগের সঙ্গী ও প্রতিদ্বন্দ্বী কারা হবে, এ বিষয়ে এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারছে না ক্ষমতাসীন দলটি।

অথচ বিএনপিবিহীন ভোটে বেশিসংখ্যক দলকে ভোটে আনা এবং তা তফসিল ঘোষণার আগেই চূড়ান্ত করার লক্ষ্য ছিল আওয়ামী লীগের।

বিএনপি থেকে নেতাদের অনেকে বেরিয়ে এসে নতুন দল গড়বেন, অন্য দলে যোগ দেবেন বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনের ঘোষণা দেবেন—আওয়ামী লীগের এমন প্রত্যাশাও অনেকটা আলোচনার মধ্যেই এখনো সীমাবদ্ধ রয়েছে।

বিএনপি ও এর মিত্ররা আগামী নির্বাচন বর্জন করতে পারে—এমনটা আওয়ামী লীগের ভাবনায় অনেক আগে থেকেই ছিল। দলটির সূত্রগুলো বলছে, এ জন্য বিকল্প হিসেবে ভোটে অংশগ্রহণ বাড়াতে ১৪–দলীয় জোট ও মিত্রদের বাইরে অনেক ইসলামি দলের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে আওয়ামী লীগ। বিএনপির নেতাদের দল থেকে বের করে এনে ভোটে রাখার বিষয়েও তৎপরতা চলছে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভারতের প্রভাব নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘নির্বাচনে ভারতের অবস্থান নিয়ে সতর্ক বিএনপি’।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সংসদ নির্বাচন নিয়ে ভারতের অবস্থান বদল হবে না, এমন ধারণা বিএনপির আগেই ছিল। তবে দলটি মনে করছে, গত দুই নির্বাচনের মতো এবার ঢাকায় ভারতের উপস্থিতি ততটা জোরালো ও প্রকাশ্য নয়।

শনিবার রাতে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল বৈঠকে বিএনপি নেতারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁদের বিশ্লেষণ হচ্ছে, ভারত বর্তমান সরকারের সঙ্গে থাকলেও এবার আগের মতো সরাসরি মাঠ পর্যায়ে সংযুক্ত নয়।

তবে ভূ-রাজনৈতিক বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থান শিগগির পরিবর্তন হবে না বলে তারা মনে করেন। গত শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিনয় মোহন কোয়াত্রা বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচন সে দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং সে দেশের মানুষই তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।’

নেতাদের কারো করো মত হলো, ভারতের বক্তব্যের বিষয়ে বিএনপির একটি কৌশলী প্রতিক্রিয়া আসা উচিত। কারো কারো মত, বিষয়টি কূটনীতিক পর্যায়ে আলোচনায় নেওয়া যেতে পারে। তবে চীনের বিষয়ে বক্তব্য দেওয়াটা যতটা সহজ, ভারতের বিষয়ে ততটা নয় বলে মত দেন একাধিক নেতা।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার আগেই সরকার প্রশাসন, পুলিশ, শিক্ষাসহ অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দিয়েছে।

জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় ভোটের আগে গত কয়েক মাসে এই তিন ক্যাডারের বিভিন্ন পদে এক হাজার ৬০৮ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। বেশ ‘উদারভাবেই এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও মেধাবী কিছু কর্মকর্তা বঞ্চিত হওয়ায় প্রায় পুরো বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

প্রশাসন বিশ্লেষকদের ব্যাখ্যা হচ্ছে, জাতীয় নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন প্রশাসন পুলিশ এবং শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা। এতে নতুন পদ প্রাপ্ত সবাই সন্তুষ্ট। সন্তুষ্ট মানুষ খুশি মনে আগ্রহী হয়ে অনেক কিছুই করে থাকে। যা সাধারণত ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে যায় না।

তবে সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তাদের দাবি, ‘পদ শূন্য থাকলে এবং পদোন্নাতি পাওয়ার যোগ্য কর্মকর্তা থাকলে তা দিতে কোনো সমস্যা নেই। ’

তবে কিছুটা অসন্তোষ আছে মাঠপর্যায়ের নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের মধ্যে। বিশেষ করে পুলিশ প্রশাসনের নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতিবঞ্চিত।

ডলার সংকট নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘ডলার নেই, তারল্যও সংকটে, সংকোচনের মুখে বেসরকারি খাত’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে চলমান ডলার সংকটের কারণে দুই বছর ধরে চাহিদা অনুযায়ী পণ্য আমদানি করা যায়নি। স্থবির হতে বসেছে অনেক শিল্প।

টাকার রেকর্ড অবমূল্যায়নের প্রভাবেও ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এবার ডলার সংকটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ব্যাংকের তারল্য সংকট।

ঋণ না পাওয়ায় দেশের অনেক উদ্যোক্তাই এখন কার্যক্রম পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছেন। এ অবস্থায় সমৃদ্ধি নয়, বরং সংকোচনের মুখে পড়েছে দেশের বেসরকারি খাত। যদিও দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ও কর্মসংস্থানের বড় অংশই বেসরকারি খাতনির্ভর।

উদ্যোক্তারা বলছেন, ঋণ প্রবাহ সংকুচিত হওয়া, সুদহার বৃদ্ধি, ডলার সংকট ও ডলারের বিনিময় হার নিয়ে নৈরাজ্য, প্রত্যাশিত মাত্রায় ঋণপত্র (এলসি) খুলতে না পারা, গ্যাস সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রভাবে বিক্রি কমে যাওয়াসহ বহুমুখী সংকটে বেসরকারি খাত এখন বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে।

পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ব্যবসায়ীরা গণহারে ঋণখেলাপি হবেন। তাতে দেশের ব্যাংক খাতের আর্থিক ভিত আরো বেশি নড়বড়ে হয়ে উঠবে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ নিয়ে সংবাদের প্রথম শিরোনাম, ‘রাজনীতিতে নারীর ন্যূনতম অংশগ্রহণ নিশ্চিতে অগ্রগতি সামান্য’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে গত ৫০ বছরের মধ্যে প্রায় ২৮ বছরই সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন নারীরা, যেটি বিশ্বে বিরল ঘটনা।

কিন্তু মন্ত্রিপরিষদে ও সংসদে নারী প্রতিনিধিত্বের দিক থেকে বিশ্বে এখনও বাংলাদেশের অবস্থান ভালো নয়। মন্ত্রিসভায় নারীর অনুপাতের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯টি দেশের মধ্যে ১২৬তম। আর সংসদে নারী প্রতিনিধিত্বের দিক থেকে আমাদের অবস্থান ৮০তম।

রাজনৈতিক দলগুলোর তথ্য বিশ্লেষণ করে তিনি দেখান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারী প্রতিনিধিত্ব ২৪ শতাংশ। অন্যদিকে বিএনপির সবশেষ কাউন্সিলে গঠিত জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে ১২ দশমিক ৭৪ শতাংশ নারী।

বিএনপির ১৯ সদস্যের স্থায়ী কমিটিতে দলের চেয়ারপাসন খালেদা জিয়া ছাড়া অন্য কোনো নারী নেই। চেয়ারপারসনের ৭৩ সদস্যের উপদেষ্টা কাউন্সিলে নারী ৮.২১ শতাংশ।

অন্যান্য দলেরও একই অবস্থা। ছোট-বড় কোনো দলই সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী এক-তৃতীয়াংশ নারী নেতৃত্ব গঠনের কাছাকাছিও যেতে পারেনি।

উইমেন এন্ড জেন্ডার বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘ পলিটিক্স করার মানসিক প্রস্তুতি খুব কমসংখ্যক নারীরই আছে। অনেকের ইচ্ছা থাকলেও এগিয়ে আসতে পারছেন না।‘ তাদের মতে, প্রত্যেক দলেরই উচিত এই বিষয়টা নতুন করে ভাবা এবং জায়গা করে দেয়া নারীদের জন্য।

এদিকে বাংলাদেশের বন্দরে রুশ জাহাজ নিয়ে নিউ এইজের প্রথম পাতার খবর, ‘Russian naval fleet anchors at Bangladesh port’ অর্থাৎ ‘বাংলাদেশ বন্দরে রুশ নৌ বহরের নোঙর’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রায় অর্ধশতাব্দীর মধ্যে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে রাশিয়ার একটি নৌ বহর।

রাশিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা টাস এর বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, প্যাসিফিক ফ্লিটের নৌ বহরের মধ্যে বৃহৎ অ্যান্টি-সাবমেরিন যুদ্ধ জাহাজও রয়েছে।

রাশিয়ার নৌবহর নোঙর করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মোঃ ওমর ফারুক। তিনি বলেছেন, এটি রাশিয়া থেকে বাংলাদেশে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সফর ছিল।

তিনি বলেন, তুরস্ক ও ফ্রান্সের নৌ জাহাজও সম্প্রতি এ ধরনের বন্ধুত্বপূর্ণ সফরে এসেছে। রাশিয়ান প্যাসিফিক ফ্লিট স্কোয়াড্রন চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করছে, যা রাশিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্কের জন্য একটি বিশাল মাইলফলক বলে কর্মকর্তারা বলছেন।

বাংলাদেশ সরকার জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত সাতটি রাশিয়ান কোম্পানির ৬৯টি মাদার ভেসেলকে দেশের বন্দরে প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়ার প্রায় ১০ মাস পর নৌবহর এসেছে। সূত্র : বিবিসি বাংলা

পূর্বকোণ/আরআর/পারভেজ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট