চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ২১ মে, ২০২৪

সর্বশেষ:

রাষ্ট্রপতি নিয়োগের রিট খারিজের আদেশ বহাল, আইনজীবীকে জরিমানা

১৮ মে, ২০২৩ | ৩:২৬ অপরাহ্ণ

রাষ্ট্রপতি নিয়োগের বিষয়ে ইসির গেজেটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজের আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। অযৌক্তিক রিট করে আদালতের সময় নষ্ট করায় আইনজীবী এম এ আজিজ খানকে এক লাখ টাকা জরিমানাও করেছেন আদালত।

 

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ মে) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ৮ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

বেঞ্চের অন্য সাতজন হলেন- বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান,বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, বিচারপতি বোরহান উদ্দিন,  বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন।

 

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন এম এ আজিজ খান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।  

 

জরিমানার প্রসঙ্গে আইনজীবী আজিজ খান পরে জানান, আদালত এ রকম আদেশ কখনও দিতে পারেন না। আমি রিভিউ চাইব। সংবিধানের স্বীকৃত পথেই আমি বৈধাতা চ্যালেঞ্জ করেছিলাম। আমাকে জরিমানা নয়, কস্ট (খরচ) দিতে বলা হয়েছে। যদি ভেক্সাসিয়াস, ফেবুলাস কিছু করা হয় তবে কস্ট করা যায় না। আমি তো সংবিধানে বর্ণিত প্রাসঙ্গিক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাবলীল স্পষ্ট অভিযোগ জানিয়ে রিট করেছিলাম।

 

রাষ্ট্রপতি পদে মো. সাহাবুদ্দিনকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রজ্ঞাপন জারি করে।

 

মো. সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত করার প্রক্রিয়া ও নির্বাচন কমিশনের গেজেট প্রকাশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ৭ মার্চ হাই কোর্টে রিট দায়ের করেন আইনজীবী এম এ আজিজ খান। রিটে মো. সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে জারি করা গেজেটের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়েছিল।

 

একই সঙ্গে রিটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন ১৯৯১ এর ৭ ধারা অনুসারে মো. সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে যোগ্য মনোনীত করা কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত হবে না, এই মর্মে রুল জারির আর্জি জানানো হয়।

 

রিট আবেদনটি গত ১৫ মার্চ খারিজ করে দেয় হাই কোর্ট। এরপর ২১ মার্চ রিট খারিজের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়।

পূর্বকোণ/পিআর 

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট