চট্টগ্রাম শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

সৌদিতে ইরানি মিসাইলের আঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের ৫ বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

অনলাইন ডেস্ক

১৪ মার্চ, ২০২৬ | ১০:১২ পূর্বাহ্ণ

সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মার্কিন বিমান বাহিনীর পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর পাল্টা জবাবে ইরান উপকূলে অবস্থিত কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) এই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনাগুলো মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের ওই ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আঘাত হানলে সেখানে অবস্থানরত পাঁচটি মার্কিন বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে বিমানগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়নি এবং বর্তমানে সেগুলো মেরামতের কাজ চলছে। এই হামলায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এই ঘটনার পরপরই মার্কিন সামরিক বাহিনী পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত খারগ দ্বীপে শক্তিশালী বিমান হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী এই সামরিক অভিযানটি পরিচালনা করেছে। ইরানের সামরিক শক্তির অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের প্রতিটি সুনির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যবস্তু এই হামলায় পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘আমি এখনো দ্বীপটির তেল অবকাঠামো ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নিইনি। তবে ইরান বা অন্য কেউ যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাধীন ও নিরাপদ পথ ব্যাহত করার চেষ্টা করে, তাহলে আমি এই সিদ্ধান্তও পুনর্বিবেচনা করব।’

উল্লেখ্য, খারগ দ্বীপকে ইরানের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি ও সামরিক শক্তির ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই দ্বীপে মার্কিন হামলার ফলে ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলা এই সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক তেল বাজার ও নৌ-চলাচল পথে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

পূর্বকোণ/এএইচ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট