চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ১:২৩ এএম

স্মার্টফোনটি হোক নতুনের মতো গতিময়

নতুন স্মার্টফোন কেনার পর কিছুদিন ভালোই চললেও দিন যত যায় ফোনের গতিও কমতে থাকে। এ সমস্যা অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোজ বা আইওএস সব অপারেটিং সিস্টেমেই দেখা যায়। একটা সময় এমন অবস্থা হয় যে, পুরনো স্মার্টফোনে ছোটখাটো কোনো কাজ করতেও মাঝে মাঝে অনেক সময় লেগে যায়। এ কারণে যে ঘনঘন ফোন বদলাতে হবে তা কিন্তু নয়। কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই স্মার্টফোনে পাওয়া যাবে নতুনের মতো গতি।
অপারেটিং সিস্টেম আপডেট

অপারেটিং সিস্টেমের নতুন সংস্করণ আসার সঙ্গে সঙ্গেই সবার উচিত ওএস আপডেট করে নেয়া। এতে ফোন থাকবে গতিময়। কেননা ফোনের ওএসে বিভিন্ন সময় নানা রকমের বাগ ধরা পড়ে। তখন ফোনে ত্রুটি দেখা যায়। পুরনো ওএস বাগমুক্ত করতে নতুন সংস্করণ আনা হয়। যদিও ফোন আপডেট করা নিয়ে অনেকের মধ্যে প্রচলিত ভুল ধারণা রয়েছে আর তা হল ফোন আপডেট করলে সেটি হ্যাং বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যতে পারে মাঝে মাঝে স্লো হয়ে যাওয়ার শঙ্কাও থাকে। প্রতিটি নতুন ভার্সনেই অধিকতর ভালো স্পিডের দিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়।

তাই আপনার ব্যবহৃত ফোনের যদি নতুন কোনো আপডেট এসে থাকে তাহলে অবশ্যই সেটি করে নেয়া উচিত। নিঃসন্দেহে এটি ফোনের স্পিড বৃদ্ধি করবে। অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস, উইন্ডোজ ডিভাইসের সেটিংস অপশন থেকে সফটওয়্যার আপডেট অপশন থেকে দেখে নেয়া যাবে কোনো নতুন আপডেট আছে কি না। সেখানে ক্লিক করে ওএসটি আপডেট করে নেয়া যাবে।
ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ

মোবাইলের ওএসে কিছু অ্যাপ সবসময় নিজ থেকে ব্যবহারকারীর অজান্তেই ব্ল্যাকগ্রাউডে চালু থাকে, যা কিছুক্ষণ পরপরই অটোরিফ্রেশ ও আপডেট হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ফেসবুকের মতো সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাপগুলো। এ ছাড়া আরও কিছু অ্যাপ রয়েছে যেগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু থেকে প্রতিনিয়ত র‌্যামের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। এমন ক্ষেত্রে ফোনের সেটিংস থেকে রানিং অ্যাপ্লিকেশন অপশনে গিয়ে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলোর ব্যাকগ্রাউন্ডের কাজ বন্ধ করে দিতে হবে। (আগামী সংখ্যায় সমাপ্য)

The Post Viewed By: 169 People

সম্পর্কিত পোস্ট