চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সর্বশেষ:

বর্ণিল আয়োজনে সিআইইউ ক্যাম্পাসে চীনা নববর্ষ উদযাপন

বিজ্ঞপ্তি

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৫:২২ অপরাহ্ণ

বর্ণিল আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (সিআইইউ) উদযাপিত হয়েছে চীনা নববর্ষ।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নগরীর জামাল খানস্থ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ উৎসবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক আবহের সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম নুরুল আবসার।

তিনি উপস্থিত সবাইকে চীনা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, চীনা নববর্ষ কেবল একটি উৎসব নয়, এটি চীনের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বহুসাংস্কৃতিক চেতনা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিআইইউ বিজনেস স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুর কাদের, স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস এর ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ খালেদ বিন চৌধুরী, সিআইইউ-এ অবস্থিত কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউট চায়নিজ ল্যাঙ্গুয়েজ টিচিং সাইট এর পরিচালক ও স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস এর সহযোগী অধ্যাপক ড. কাজী মোহাম্মদ সাইফুল আসপিয়া এবং ইন্সট্রাক্টর লি শিকো-সহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে চীনা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ঐতিহ্যবাহী সংগীত, এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়। শিক্ষার্থীরা চীনা পোশাকে সজ্জিত হয়ে উৎসবের আমেজকে প্রাণবন্ত করে তোলে। অনুষ্ঠানটি আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং শেষে উপস্থিত অতিথি ও শিক্ষার্থীরা একে অপরকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। আয়োজকরা ভবিষ্যতেও এ ধরনের আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে চায়নিজ ভাষা শিক্ষণ কোর্স আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউট চায়নিজ ল্যাঙ্গুয়েজ টিচিং সাইট- এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ কোর্সে সিআইইউ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি চট্টগ্রামের আগ্রহী যে কেউ ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন। ইতোমধ্যে তিনটি ব্যাচ শুরু হয়েছে, যার মধ্যে একটি ব্যাচ বহিরাগত অংশগ্রহণকারীদের জন্য নির্ধারিত। আন্তর্জাতিক ভাষা দক্ষতা বৃদ্ধি, উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের বৈশ্বিক সুযোগ সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশ-চীন সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

পূর্বকোণ/এএইচ

শেয়ার করুন