চট্টগ্রাম রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৪

পিসিআইইউ সাংবাদিকতা বিভাগ শিক্ষার্থীদের কৃষি গবেষণা কেন্দ্র পরিদর্শন

বিজ্ঞপ্তি

২৯ মার্চ, ২০২৪ | ৮:০৬ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রামের পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ‘সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন’ বিভাগের ২৭ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা হাটহাজারী আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন।

 

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে ‘এনভায়রনমেন্টাল রিপোর্টিং’ কোর্সের অধীনে বিভাগের চেয়ারম্যান ও কোর্স শিক্ষক জুয়েল দাশের নির্দেশনায় পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি পরিবেশ সাংবাদিকতায় তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান লাভের উদ্দেশ্যে হাটহাজারীর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র পরিদর্শন করে শিক্ষার্থীরা।

 

এদিন আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও অফিস প্রধান ড. মো. সহিদুল ইসলাম খানকে উপহার সামগ্রী দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন শিক্ষার্থীরা। পরে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরত অন্যান্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাগণ শিক্ষার্থীদের উদ্ভিদ রোগতত্ত্বের আধুনিক গবেষণাগার, গবেষণার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত দেশি-বিদেশি ও স্থানীয় বিভিন্ন ফসলসহ নানান উদ্ভিদ ও উদ্ভাবন ঘুরিয়ে দেখান।

 

এ সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে ফসলের রোগ-বালাই নিয়ে গবেষণা, নতুন জাত উদ্ভাবন, জলবায়ুর পরিবর্তনকে ঘিরে কৃষিতে আগামীর চ্যালেঞ্জসহ মাঠপর্যায়ের কৃষকদের কাছে নতুন তথ্য-পরামর্শ সরবরাহের প্রক্রিয়া ও কৃষির উন্নয়নে সাংবাদিকতার প্রয়োজনীয়তা এবং নানা দিক সম্পর্কে অবগত করেন প্রতিষ্ঠানের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা।

 

পরিবেশ সাংবাদিকতায় কৃষির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক তুল ধরে প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সরাসরি প্রভাবিত হচ্ছে কৃষি। বছরে একটা জমিতে পরপর কয়টা ফসল নেওয়া যায় সেটাকে ক্রপিং প্যাটার্ন বলে। বছরে তিনটা সিজন, রবি, খরিপ ১, খরিপ ২। সেক্ষেত্রে দেখা যায় পানি, তাপমাত্রাসহ বিভিন্ন কারণে তিন সিজনে ফসল রোপন সম্ভব হয় না। আমরা গবেষণা করছি নতুন কোনো ফসল রোপন করা যায় কিনা যা প্রতিকূল পরিবেশেও ফলন দিবে।

 

তিনি বলেন, আমাদের নিজস্ব ল্যাবে ফসলের বিভিন্ন রোগ সম্পর্কে গবেষণা করা হয়। পোকামাকড় দমনে পরিবেশবান্ধব কীটনাশক ব্যবহার এবং নতুন জাত কীভাবে উদ্ভাবন করা যায় তা গবেষণা করা হয়।

 

কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান অন্য কোনো অধিদপ্তরের সাথে যৌথভাবে কাজ করছে কিনা শিক্ষার্থীদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, গবেষণা থেকে কৃষক পর্যায়ে বার্তা পৌঁছে দিতে আমাদের পাশাপাশি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কাজ করে। আমরা যখন উদ্ভিদে জিন প্রয়োগ করি কিংবা নতুন জাতের ফসল উদ্ভাবনে সফল হই তখন সে ফসল সাধারণ মানুষের জন্য ক্ষতিকর হবে কিনা- তা দেখভাল করে পরিবেশ অধিদপ্তর একটি প্রতিবেদন দেয়। এরপর এটি বাজারে যায়।

 

ভবিষ্যতে গবেষণাধর্মী যেকোনো কাজে পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠানটির পাশে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

 

পূর্বকোণ/জেইউ/পারভেজ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট